গোপালগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-মেয়ে এবং পিতা-পুত্রসহ ১১ জন নিহত ও অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুরের গেড়াখোলা ব্রিজের কাছে এবং দুপুর ১২টার দিকে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের সাতপাড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুকসুদপুর থানা, ভাঙ্গা হাইওয়ে ও বৌলতলী ফাঁড়ির পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করেছে।
মুকসুদপুরের গেড়াখোলা ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন নড়াইল জেলার কালিয়ার বিজিবির ল্যান্স নায়েক জোনায়েদ হোসেনের স্ত্রী সেতারা বেগম (৩৫), তার মেয়ে জয়া (৭), বাগেরহাট জেলার গোয়ালবাড়িয়া গ্রামের জিয়াদ মাঝির স্ত্রী লাইজু বেগম (২৪), একই জেলার শরণখোলার নলবুনিয়া গ্রামের মোতাহার আলী হাওলাদারের ছেলে গোলাম সারোয়ার (৪০), মোরেলগঞ্জের ফকিরবাড়ী গ্রামের এমএ জাহিদ (৩৮), হাসিনা (৭০)। বাকি তিনজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এছাড়া গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের সাতপাড়ে বাবুল বিশ্বাস (৫০) ও তার ছেলে সিঙ্গা স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র শওন বিশ্বাস (১২) নিহত হয়। আহত ১০ জনকে মুকসুদপুর, ২১ জনকে ফরিদপুরসহ অন্যদের ভাঙ্গা ও গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ওসি ফেরদৌস হোসেন জানান, গতকাল বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুরের গেড়াখোলা ব্রিজের কাছে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গোপালগঞ্জগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেসের সঙ্গে বাগেরহাটের রায়েন্দা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুইটি বাসেরই সামনের অংশ দুমড়ে- মুচড়ে রাস্তা থেকে ৫০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে। ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হয়।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৌলতলী পুলিশ ফাঁড়ির এসআই সুমন ভক্ত জানান, দুপুর ১২টার দিকে গোপালগঞ্জ-টেকেরহাট সড়কের সাতপাড়ে বাসের ধাক্কায় পিতা-পুত্র নিহত হয়।
এদিকে স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর জানান, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় তেলবাহী ট্যাংকলরির ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দিনাজপুর-পার্বতীপুর সড়ক অবরোধ করে। গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতেরা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলাম (৫০) ও তার স্ত্রী হাসনা বেগম (৪৫)। তারা বাইসাইকেলযোগে দিনাজপুর শহরের দিকে আসছিলেন।
