টেলিভিশনের জনপ্রিয় ঈদ অনুষ্ঠান চ্যানেল আইয়ের ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ এবার ধারণ করা হয়েছে কুমিল্লা জেলায়। মূল খেলাধুলা ধারণ হয়েছে তিতাস উপজেলার কাঁঠালিয়া নদীর পাড়ে মোহনপুরের প্লাবনভূমিতে। অন্যান্য বছরের মতোই এবার কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলার ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শেকড় সন্ধান করেছেন কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ। এবার তিনি দর্শকদের সামনে তুলে ধরবেন বঙ্গভূমিকার শিক্ষার অন্যতম সুতিকাগার ময়নামতির বৌদ্ধ বিহার, কুমিল্লার খাদির ইতিহাস ও স্বদেশি আন্দোলনের স্মৃতি, কালজয়ী শিল্পী শচিন দেব বর্মনের স্মৃতি, কুমিল্লার বার্ড প্রতিষ্ঠার গল্প ও আখতার হামিদ খানের জীবন ও কাজ নিয়ে অজানা সব তথ্য। এর বাইরে থাকছে কুমিল্লার সমবায় আন্দোলনের অরেক সূর্য সৈনিক র্যামন ম্যাগসেইসে জয়ী মোহাম্মদ ইয়াসিনের স্মৃতির গল্প। সবকিছুকে ছাপিয়ে এ দেশে কুমিল্লার আরও বড় একটি অবস্থানকে তুলে এনেছেন শাইখ সিরাজ। দেখিয়েছেন আমাদের আজকের খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, উচ্চফলনশীল ধানের প্রাচুর্য এ সবকিছুরও গোড়াপত্তন হয়েছিল কুমিল্লায়। এর ভেতরে ভেতরে জড়িয়ে ও ছড়িয়ে রয়েছে অনেক অজানা ও অকথিত কাহিনী, যা এই প্রথমবারের মতো ঈদ আয়োজনে তুলে আনছেন শাইখ সিরাজ। প্রতিবারের মতো এবারও ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’-এর পরিবেশনায় বেশ খানিকটা ভিন্নতা পাওয়া যাবে। যা দর্শকের জন্য হবে অনেক বেশি চিত্তাকর্ষক ও শ্বাসরূদ্ধকর।
ঈদে ফার্মার্স গেইম শো ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’-এর উদ্যোক্তা, পরিকল্পক ও পরিচালক কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বলেন, ‘টেলিভিশনে সপ্তাহব্যাপী ঈদ আয়োজনে দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অবস্থানকে নিশ্চিত করতেই ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’-এর আয়োজন। টানা সাত বছরের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে সারাদেশে গ্রামীণ খেলাধুলা ও হারিয়ে যাওয়া আনন্দ-বিনোদনের ঐতিহ্যগুলো উঠে আসতে শুরু করেছে। এটি এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে আমি মনে করি। এর পাশাপাশি ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির দিকে সারাদেশের দৃষ্টিকে ফেরাতে চাইছে। এবার দর্শকদের জন্য রয়েছে মজাদার বিস্ময়কর তথ্যের খোঁজ, যা এ দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও বৈচিত্র্য বৈভব উপস্থাপিত হবে, যা সবাইকে গর্বিত করবে। করবে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত।’
