বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার বলেছেন, নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে দ্রুত পদত্যাগ করুন। নইলে কাউকে ভোট কেন্দ্র যেতে দেয়া হবে না।
গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ন্যাশানালিস্ট রিসার্চ সেন্টার আয়োজিত ‘তারেক রহমান ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক নাগরিক সভা এবং তারেক রহমানের সংগ্রামী জীবন নিয়ে দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর শেষ দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল-নোমান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, শওকত মাহমুদ, বিএনপির অর্থসম্পাদক আবদুস সালাম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির সহ-স্বেচ্ছাসেবক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ-দফতর সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামিম, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ।
এম কে আনোয়ার বলেন, দেশের মানুষ আজকে বুঝতে পেরেছে, তার প্রমাণ দেখিয়ে দিয়েছে। সিটি নির্বাচনে দেখেছেন, ভবিষ্যতে এর চেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা হবে।
কয়েকজন দুর্নীতিবাজকে বাঁচাতে বাংলাদেশের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পদ্মাসেতুকে বিসর্জন দিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটির পর একটি মামলা দেয়া হচ্ছে। একটি মামলায়ও দোষী প্রমাণ করতে পারেনি। তার বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে।
ধানাই ফানাই বন্ধ
করুন :ড. মোশাররফ
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে কনফারেন্স লাউঞ্জে এক আলোচনা সভায় বলেন, জনগণের রায়কে মেনে নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নিন। সরকার একগুঁয়েমির জন্য যদি কোনো অরাজকতা সৃষ্টি হয় তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।
আওয়ামী লীগ সমর্থক ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হয়েছে বলে মন্তব্য করে মোশাররফ বলেন, রমজান শুরু হচ্ছে। অথচ দ্রব্যমূল্য সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। ছাত্রলীগ, যুবলীগের পকেট ভারি করার জন্য দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করেছে।
