সাহিত্য বিশ্ব

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৩, ১৮:১৫
কাফকার জন্মদিনের চিঠি ৩ জুলাই কাফকার জন্মদিন। জন্মদিন উপলক্ষে ১৯১৯ সালে ১১০ বছর আগে কাফকা তাঁর বাবাকে একটি চিঠি লিখেছিল। কাফকার লেখা এই চিঠির সারাংশ হাফিংটন পোস্ট নিউজে প্রকাশিত হয়। তিনি ভেবেছিলেন হয়তো এই চিঠি পিতা-পুত্রের সর্ম্পক ভালো করবে। কাফকা এটি তাঁর মাকে দিয়েছিলেন যেন তিনি তাঁর বাবার নিকট পৌঁছে দেন। কিন্তু কাফকার বাবার নিকট না দিয়ে মা এটি আবার ফ্রানত্স কাফকাকে ফেরত দেন। প্রিয় বাবা ‘সমপ্রতি আপনি আমাকে প্রশ্ন করেছেন, আমি কেন আপনাকে ভয় পাই? সাধরণত আমি আপনার প্রশ্নের সহজ উত্তর চিন্তা করেও সমাধান করতে পারি না। একারণেই আমি কিছুটা হলেও আপনাকে ভয় পাই। কারণ আমি যখন কথা বলতে চাই, তখন ভুলে যাই যৌক্তিক উত্তর। যদি আমি লিখেও এর কারণ প্রকাশ করতে চাই, তবু তা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। কেননা, লেখার মাঝেও এই ভয় কাজ করে। এ উত্তরের শক্তি আমার স্মৃতি বা যৌক্তিক বিশ্লেষণেরও ঊর্ধ্বে। বাড়িতে অবস্থানকালীন আপনি আমার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আমি অনেক চেষ্টা করে আপনার কাছ থেকে যথেষ্ট দূরত্ব রাখছি। লেজের ওপর পা পড়ে, লেজ কেটে গেলে; সেই লেজের অংশটুকু ফেলে দিয়ে পালিয়ে যাওয়া অমেরুদণ্ডী প্রাণীর জন্য নিরাপদ। এতে অন্তত প্রাণীটি নিরাপদে থাকবে। তার মতো বলা যায় আমিও কিছুটা হলেও নিরাপদ। এখানে আমার নিরাপদে শ্বাস নেয়ার অন্তত সুযোগ তো রয়েছে। চিঠিতে আপনার যে ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে তাকে স্বাগতম। আপনার নীতিকথা সত্য প্রমাণিত হলে আমার লেখা বই নিয়ে বড় বেশি ভুগতে হবে। এই ভোগান্তি আমারই থাকুক।’ রাইস অ্যান্ড ফল-এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা ক্যসেই কেল্লেচার-এর বই এখন জে কে রাউলিংয়ের বইয়ের মতো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। অ্যামাজান অনলাইন বইয়ের পাঠকগণ তাঁর ক্রাইম থ্রিলার রাইস অ্যান্ড ফলকে গত জুনমাসের সেরা পঠিত বই হিসেবে মনোনীত করেছে। অ্যামাজানের ওয়েবসাইটে এই বইটি মাসিক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। ৩৩ বছর বয়সে তিনি জে কে রাউলিংয়ের সাথে প্রতিযোগিতা করে এ পুরস্কার জিতে নেন। ক্যাসেই বলেন, ‘পুরস্কার পাওয়ার মতো ঘটনা অবাক হওয়ার বিষয়। কিন্তু সবচেয়ে ভালো বিষয় হচ্ছে, অনলাইনে পাঠকের সমর্থন। আমার অনেক ফেইসবুক ও টুইটারের ভক্তরা ভোট দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে আমি নতুন কিছু ভক্ত পেলাম।’ ফিলিস্তিনের ঔপন্যাসিকা সাহার খালিফের মরক্কো সাহিত্য পুরস্কার জয় প্রতি তিন বছর পরপর মরক্কোর ‘জাফজাফ সাহিত্য পুরস্কার’ প্রদান করা হয় আফ্রিকার ‘থাচিয়া ইউ থাম পুরস্কার’ ও ‘বুলান্দ আল হায়াদারি’ পুরস্কারের পরিবর্তে। এ বছর ফিলিস্তিনের ঔপন্যাসিক সাহার খালিফ এ পুরস্কার জিতে নেন। আগামী ১১ জুলাই তাঁকে এ পুরস্কার প্রদান করা হবে বলে জানান বিচারক কমিটির সদস্যগণ। ফিলিস্তিন নিয়ে ব্যতিক্রমধর্মী উপন্যাসের ধারা আবিষ্কারের জন্য তাঁকে মূলত এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে তিনি আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্য পুরস্কার ‘নাগিব মাহফুজ মেডেল’ লাভ করেন। তাঁর অনেক উপন্যাস ইংরেজিতে অনুবাদ হয়েছে। আধুনিক কবিতা পাঠকের জন্য জটিলতর বিষয়; গার্ডিয়ান আধুনিক কবিতা ধ্রুপদি বা ক্ল্যাসিক্যাল কবিতার ব্যতিক্রম। এ ধরনের কবিতায় খুব কমই মাত্রা, তাল ও ছন্দের ওপর জোর দেওয়া হয়। বরং আধুনিক কবিতা ঘটনাবহুল জীবনের মুহূর্ত ও মানুষের প্রাত্যহিক অভিজ্ঞতার ওপর বেশি প্রাধান্য দেয়। তারপরও কেন বর্তমান কবিতা অধিক জনপ্রিয় হতে পারল না—এ সময়ে তা-ই প্রশ্ন? এতে কি প্রমাণিত হয় না যে আধুনিক কবিতা দুর্বোধ্য ও জটিলতর বিষয়, যার কারণে পাঠকের নিকট তা বিরক্তিকর।