আসছে ঈদ, বাড়ছে চোরাচালান

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৩, ২১:৫৭
পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুরে চোরাচালানীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন কোটি টাকার ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিসসহ কাপড় দেশে ঢুকছে। এ পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় কাপড় শতাধিক দোকানে পৌছে দিয়েছে চোরাকারবারী চক্র। চোরাকারবারীদের সহযোগী হুন্ডি ব্যবসায়ীরা তত্পর। জানা যায়, সদর উপজেলার খানপুর, কমলপুর, সুন্দরা, বনতাড়া, মোহনপুর, বিরামপুর উপজেলার কাটলা, হাকিমপুরের হিলি, বাসুদেবপুর, ঘাসুরিয়া, হাড়িপুকুরসহ বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে সংঘবদ্ধ চোরাচালানী চক্র গত ১ মাস ধরে কোটি কোটি টাকার ভারতীয় কাপড় থ্রি-পিস, শাড়ি শহরের শতাধিক দোকানে পৌছে দিয়েছে। প্রকাশ্য দিবালোকে চোরাকারবারীরা শহরের বাহাদুরবাজার ও মালদ্হপট্টিতে চোরা পথে আনা কাপড়ের গাইট ও বস্তা পৌছে দিচ্ছে। এবার শাড়ীর আইটেমের মধ্যে জর্জেট, নেট, টিস্যু, সাউথ ইন্ডিয়ান এবং কাজ করা জর্জেট শাড়ি বেশি আসছে। চোরাচালানী চক্র প্রশাসনকে ‘ম্যানেজ’ করে নির্বিঘ্নে অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, প্রায় ৩০/৪০ জন চোরাকারবারী ভারতীয় সীমান্তবর্তী ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজস করে সীমান্ত দিয়ে কাপড়ের চালান দোকানে দোকানে পৌছে দিচ্ছে। এসব চিহ্নিত চোরাকারবারী ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। দিনাজপুর শহরের কাপড়ের অন্যতম বাজার মালদ্হপট্টি ও বাহাদুরবাজারের শতাধিক দোকান ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় কাপড়ের বিপুল মজুদ গড়ে তুলছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, অনেক ব্যবসায়ী ভিসা নিয়ে ভারতের কলকাতায় গিয়ে ঈদের বাজার উপলক্ষে কোটি টাকার কাপড় চোরাপথে লাইনম্যান দিয়ে হিলি, খানপুর ও হাড়িপুকুর সীমান্ত দিয়ে নিয়ে আসছে। এসময় হুন্ডি ব্যবসায়ীরা চোরাকারবারীদের অর্থ আদান-প্রদানের কাজ করে মোটা অংকের লাভ করছে।