পার্বত্য চট্টগ্রামে আন্দোলনরত ৮ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মঙ্গলবার এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, ভূমি আইন সংশোধনের মাধ্যমে যদি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রকৃত ভূমি মালিকদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও দাবি-দাওয়ার প্রতিফলন না ঘটে এবং স্থায়ী বাসিন্দারা যদি তাদের হারানো বংশ পরম্পরার পৈতৃক জায়গা-জমি ফিরে না পায় তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামে পুনরায় গণবিদ্রোহ দেখা দিতে বাধ্য। আর তখন তার দায়-দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে।
৮ সংগঠনের যুক্ত বিবৃতিতে পুনর্বাসিত বাঙালিদের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীর রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি সফরকে ‘দুরভিসন্ধিমূলক’ এবং তা ‘ফৌজি শাসক জিয়া-এরশাদের পদাঙ্ক অনুসরণ’ বলে মন্তব্য করে তারা বলেছেন, এ সফরে দুই নেতা কেবল সেনা কর্মকর্তা কর্তৃক বাছাইকৃত চিহ্নিত কয়েকটি সংগঠন ও নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপ করে একদিকে চরম পক্ষপাতিত্ব এবং অন্যদিকে নিজেদের নীল নকশার সাথে সম্পৃক্ত করেছেন, যার পরিণাম কখনোই শুভ হতে পারে না।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি নতুন কুমার চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম নারী সংঘের সভাপতি সোনালী চাকমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি কণিকা দেওয়ান, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি থুইক্য চিং মারমা, সাজেক ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি জ্ঞানেন্দু চাকমা, সাজেক নারী সমাজের সভাপতি নিরূপা চাকমা, ঘিলাছড়ি নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক শান্তি প্রভা চাকমা ও প্রতিরোধ সাংস্কৃতিক স্কোয়াডের সদস্য সচিব আনন্দ প্রকাশ চাকমা। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ভূমি কমিশন আইনকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক করতে হবে, এক ব্যক্তির মর্জির উপর এ কমিশনকে চলতে দিলে তাতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হবে।
