বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তরা বলেছেন, অপরিকল্পিতভাবে জনসংখ্যা বাড়লে সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হবে এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ব্যাহত হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের উদ্যোগে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘এডোলেসসেন্ট প্রেগনেনসি’ শীর্ষক সেমিনারের বক্তরা এ কথা বলেন। পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ফরিদউদ্দিন আহমেদ, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের উপ-প্রতিনিধি মিজ ইউকি সিউহিরু, নিউইয়র্ক পপুলেশন কাউন্সিলের সিনিয়র এসোসিয়েট ড. সাজেদা আমিন, ইউসিইপি প্রোগ্রামের পরিচালক ড. নূর মোহাম্মদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তাহমিনা গফুর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেল্থ এন্ড ইনফরমেটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ফারিহা হাসিন।
নাসরীন আহমাদ বলেন, বাংলাদেশের শতকরা ৬৫ ভাগ নারী ১৮ বছর বয়সের আগেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। যার ৩০ ভাগ নারী ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সে গর্ভধারণ করে। আর এ কারণেই শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ে।
অপরিণত বয়সে বিয়ে ও গর্ভধারণের হার কমাতে সর্বত্র সচেতনতা সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক স্থিতিশীলতা ও দেশের উন্নয়ন জড়িত। তাই জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করতে হবে।
