কুমিল্লার চিশতী টেক্সটাইল মিলস অবহেলা ও অযত্নে পড়ে আছে দীর্ঘদিন। ১৬.৬৬ একর জমিতে ১৯৬৬ সালে ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সুতা উত্পাদনকারী ভারি শিল্প কারখানা স্থাপিত হয়। এই মিলের সম্পত্তির বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় ৩শ’ কোটি টাকা। এখনও এখানে ২২ জন কর্মচারী কর্মকর্তা কর্মরত আছেন।
এ মিলের উত্পাদন সেলে ৩৬টি জাপানি ও ৮টি চায়না রিং মেশিন, ৬টি সিমপ্লেক্স মেশিন, ব্লু-রুমে বড় ২টি মেশিন, রিলিং-ড্রইং-বান্ডেলিং মেশিন, যান্ত্রিক কক্ষ (ওয়ার্কসপ), বিদ্যুত্ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, মান নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, কাটিং মেশিনসহ দেশি-বিদেশি মূল্যবান মেশিনারীজ পড়ে আছে। ১৯৭২ সালে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়। ১৯৯৮ সালে গোল্ডেন হ্যান্ডসেকে শ্রমিক বিদায়ের পর মিলটির উত্পাদন বন্ধ হয়ে যায়।
বিটিএমসি কর্তৃপক্ষ ও নারায়ণগঞ্জের ব্যবসায়ী শ্রী ব্রজলাল পোদ্দার চুক্তিভিত্তিক নিয়ে মিলটি চালু করে। ২০০৪ সালে লোকসানের কারণে মিলটি একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। মিলটি হাতিয়ে নেয়ার জন্য একটি মহল উপর মহলে তদবির অব্যাহত রেখেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। বিগত সরকার মিলটি বিক্রির জন্য কয়েকবার দরপত্র আহবান করেছিল।
চিশতি টেক্সটাইল মিলস্’র ইনচার্জ মো. আবুল কালাম জানান, ‘২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি থেকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এর লিকুইডেটরের দায়িত্বে আছেন। এ বিষয়ে লিকুইডেটর উপ-সচিব সাইফুদ্দিন আহমেদ মজুমদার ইত্তেফাককে জানান, ‘মিলটি বিক্রির উদ্দেশ্যে বিগত সময়ে চার/ পাঁচবার দরপত্র আহবান করা হয়েছিল, পরে কার্যক্রম বন্ধ থাকে। আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়া এ মূল্যবান সম্পদ বিক্রি হতে পারে না।’
