নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলনা বঙ্গবন্ধু হাটে গত বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে ২৫ জন আহত ও ১৫টি দোকান অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১১ জন অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু হাটে আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াছিন আলী ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমানের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা জামায়াতের কর্মী ফেরদৌসকে আটক করে মারধর করে। এ ঘটনায় রাত ৮টায় উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পরে। জলঢাকা-ডোমার-ডিমলা সড়ক ৪ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। সংঘর্ষে ১৫টি দোকান আগুন ধরিয়ে দিলে ডোমার উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সাবেক ইউ.পি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মশিয়ার রহমান, ইয়াছিন, রশিদুল, আবু তালেব, মনিরুজ্জামান মনি, আনারুল ইসলাম, বিবেকানন্দ, রনি, রমেশ, গিনিউর জামান অগ্নিদগ্ধে আহত হয়েছে। তাদেরকে উন্নত চিকিত্সার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জলঢাকা থানার ওসি তাপস চন্দ্র পণ্ডিত জানান, গত বৃহস্পতিবার গোলনা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মশিউর রহমান বাদি হয়ে ৩৮ জন ও অজ্ঞাত আরো ৪০ থেকে ৫০ জনকে আসামি করে মামলা করে। এ ঘটনায় গোলনা ইউপি সদস্যসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
