চলে গেলেন বলিউডের প্রাণ সিকান্দ

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৩, ২০:০৭
বলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা প্রাণ সিকান্ত গত ১২ জুলাই শুক্রবার রাত ৮টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। দীর্ঘ প্রায় এক মাস ধরে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে তিনি চিকিত্সাধীন ছিলেন। শরীরের বেশকিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে গিয়েছিল। লীলাবতী হাসপাতালে তার সার্বিক চিকিত্সাই চলছিল। মাস ছয়েক আগেও তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি হয়েছিল। মৃত্যুকালে স্ত্রী শুক্লা, মেয়ে পিংকি, দুই ছেলে অরবিন্দ ও সুনীলকে রেখে গেছেন বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় ও শক্তিশালী এই অভিনেতা। তার মেয়ে পিংকি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন বাবা। জীবনের শেষ দিককার সময়টা তার জন্য খুবই কষ্টদায়ক ছিল। গত কয়েকদিন ধরে তার শারীরিক অবস্থা অন্যান্য দিন থেকে অনেক বেশি দুর্বল ছিল। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন তিনি।’ গতকাল দুপুরে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক ক্রিমেটোরিয়ামে অভিনেতা প্রাণের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। ১৯২০ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন প্রাণ কৃষাণ সিকান্দ। ১৯৪৫ সালে প্রাণ প্রথম অভিনয় করেছিলেন পাঞ্জাবি ‘ইয়ামলা জাত’ ছবিতে। নিজের এই ষাট বছরের অভিনয় জীবনে প্রায় সাড়ে তিনশত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—‘জঞ্জির’, ‘উপকার’, ‘মধুমতি’, ‘জিদ্দি’, ‘মিলন’, ‘হাফ টিকিট’, ‘দেবদাস’, ‘জনি মেরা নাম’, ‘পূরব অউর পশ্চিম’ ইত্যাদি। বলিউডে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০১ সালে পদ্মভূষণ খেতাব অর্জন করেছিলেন তিনি।