গোদাগাড়ীর ৩টি গ্রামে গবাদী পশুর গলাফুলা রোগের মড়ক দেখা দিয়েছে। গত ৩ দিনে এ রোগে ৫৫ টি গরু-মহিষ মারা গেছে এবং আরো অর্ধশতাধিক আক্রান্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের নিমতলা, খারিজাগাতি ও মোল্লাপাড়া গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে গরু-মহিষ পালন করছে কৃষক। কৃষকরা জানান, প্রথমে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
এরপর পেট ও গলা ফুলে শ্বাস বন্ধ হয়ে গরু-মহিষ মারা যাচ্ছে। স্থানীয় প্রাণী চিকিত্সক দিয়ে চিকিত্সা করিয়েও গলাফুলা রোগ প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। নিমতলা গ্রামের নাস্তার আলী জানান, তার ১০টি মহিষের মধ্যে ৭টি মারা যাওয়ায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। একই রোগে গতবছর মোল্লাপাড়া গ্রামের সাদিকুল হোসেন হাবলুর ৪৫টি মহিষ মারা যায়। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কবির হোসেন বলেন, এই ৩টি গ্রামের অধিকাংশই গবাদি পশুকে ভ্যাকসিন না দেয়ায় গরু-মহিষ আক্রান্ত হচ্ছে। এখানে যাতে নতুন করে গরু মহিষ আক্রান্ত না হয় সেজন্য ভ্যাকসিন দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস.এম. তুহিনুর আলম বলেন, আক্রান্ত হওয়া এলাকাগুলিতে বিশেষ ক্যাম্প স্থাপন করে আক্রান্ত গরু-মহিষ ও ছাগলকে চিকিত্সা ও ভ্যাকসিন করার জন্য প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
