৪০ দিনের কর্মসূচির আওতায় রাস্তায় পাইলিং, প্যালাসাইটিং এবং স্যানিটারি ল্যাট্রিন, গণশৌচাগার নির্মাণের জন্য সরকার নন ওয়েজ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ওই কর্মসূচির আওতায় কুড়িগ্রামের রাজীবপুরের ৩টি ইউনিয়নে প্রায় ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। কাজ না করেই বরাদ্দের টাকা ভাগবাটোয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী জানায়, এই কর্মসূচির দু’একটি প্রকল্পে নাম মাত্র কাজ হয়েছে। সদর ইউনিয়নের গড়াইমারী হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা জানায় মাদ্রাসার সামনে পাবলিক টয়লেট না করেই ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। আরো ৩টা প্রকল্পের চিত্রও একই। মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের শংকর কুর পাড়ায় পাইলিংয়ে ৭৫ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ ছিল। সেখানেও কোনো কাজ হয়নি। বিভিন্ন পাইলিং না করেই ৭ লাখ টাকা আত্মসাত্ করা হয়েছে।
কোদালকাটি ইউপি’র পাশে ল্যাট্রিন ও নলকূপ স্থাপন না করেই দেড় লাখ টাকা তুলে নিয়ে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় ল্যাট্রিনের কাজ শুরু করেও শেষ করা হয়নি। সদর ইউপি চেয়ারম্যান নুর-ই শাহী ফুল, কোদালকাটি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও মোহনগঞ্জের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, আমরা কাজ করেছি। রাজীবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো বলেন, নন ওয়েজ কর্মসূচির কোনো প্রকল্পেরই কাজ করা হয়নি বলে এলাকাবাসী তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। এ বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সিরাজুদ্দৌলা বলেন, ‘দু’একটি প্রকল্পে কিছু অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে। তবে কাজ না করেই বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সত্য নয়।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খান বলেন, সবই মিথ্যা অভিযোগ।
