ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজারের পাশে বাদেডিহি গ্রামে আওয়ামী লীগ কর্মী মিঠুন খুনের ৪ দিন পর শুক্রবার রাতে কালীগঞ্জ থানাতে মামলা হয়েছে। নিহতের বাবা ফুলবাড়ি গ্রামের বাবর আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। প্রধান আসামি করা হয়েছে বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সম্পাদক জয়নুল আবেদীনসহ ১২ জনকে। বাকি ১১ জনও আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের স্থানীয় কর্মী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে মিঠুন আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের কোন্দলের কারণে খুন হন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাসানজ্জামান জানান, মিঠুন একটি ভাড়ায় টানা মোটর সাইকেল ভাড়া করেন। তারপর চালকের কাছ থেকে মোটর সাইকেলের চাবি নিয়ে বলেন, ‘তুমি অপেক্ষা কর। আমি আসছি’। পুলিশ ধারণা করছে তার পরিচিত কেউ তাকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। রাত ১০টার দিকে বাজার থেকে একটু দূরে বাদেডিহি গ্রামের রাস্তার উপর তার কুিপয়ে হত্যা করা লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান জয়নুল চেয়ারম্যানকে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আজিম আনার কালাম - এমদাদ গ্রুপকে সমর্থন করে আসছেন। আওয়ামী লীগের গোষ্ঠি দ্বন্দ্বে গত তিন মাসে ৪ জন আওয়ামী লীগ কর্মী খুন হলো।
