নাগেশ্বরীর ক্লিনিকে প্রসূতির মৃত্যু

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৯
নাগেশ্বরীতে জনতা ক্লিনিকে ভুল চিকিত্সায় প্রসূতির মৃত্যু ঘটেছে। গত শনিবার সকালে প্রসূতি মারা গেলেও সুস্থ রয়েছে নবজাতক। ফুলবাড়ীর বেড়াকুটি ঘুঘুরহাট এলাকার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী গোলাপী বেগমকে (২৪) গত ৯ জুলাই বিকেলে সিজারিয়ান অপারেশন করেন ডা. উপেন্দ্রনাথ শীল ও ডা. হাফিজুর রহমান মুকুল। ক্লিনিকে চিকিত্সাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মারা গেলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ দ্রুত একটি মাইক্রোবাসে করে লাশ তার বাবার বাড়ি ছিট দাসিয়ার ছড়ার কালিরহাট গ্রামে পাঠিয়ে দেয়। এর আগে গত ২৯ জুন হাইড্রোসিল অপারেশনের সময় পৌর এলাকার বাগডাঙ্গা গ্রামের মোজাম্মেল হকের ৮ বছরের শিশু রুহুল আমিন মারা যায়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ক্লিনিক বন্ধ করে দিলেও ক্লিনিকের পরিচালক মতিয়ার রহমান মন্টু প্রভাব খাটিয়ে আবারও রোগী ভর্তি করায়। একটি মৃত্যুর রেষ কাটতে না কাটতে আবারও রোগী মারা যাওয়ায় ক্লিনিকটি একদম বন্ধ করে দেয়ার জোর দাবি তুলেছে। ভুক্তভোগীরা জানায়, জনতা ক্লিনিকে ভাড়া করা ডাক্তার দিয়ে চলে। সময়মতো ডাক্তার পাওয়া যায় না। প্রশিক্ষিত নার্স নেই। রোগীদের সঠিক পরিচর্যা না হওয়ায় মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটছে।