সংবাদ কণিকা

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৩, ২২:৩২
ভাসমান পরমাণু বিদ্যুেকন্দ্র প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুত্ সরবরাহ নিশ্চিত করতে রাশিয়া তৈরি করছে ভাসমান পরমাণু বিদ্যুেকন্দ্র। এ বিদ্যুেকন্দ্রটি চালু হবে ২০১৬ সালে। ৬৯ জনের একটি নাবিক দলসহ প্রথম ভাসমান বিদ্যুেকন্দ্রের নাম হবে ‘অ্যাকাডেমিক লমোনোসোভ’। যার ওজন হবে ২১ হাজার ৫০০ টন। প্রতিটি বিদ্যুেকন্দ্রে ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি রিঅ্যাক্টর থাকবে, যা একটি শহরে ২ লাখ মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো বিদ্যুত্ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই বিদ্যুেকন্দ্রের ডিজাইন করা হয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য। যেমন সাগরের তেলখনি এবং বন্দরকেন্দ্রীক শহরগুলোতে। —রয়টার্স গাড়ির দিক নির্ণয়ের যন্ত্র স্যাটেলাইট নেভিগেশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জার্মিন গাড়ির হেড-আপ ডিসপ্লের (এইচইউডি) জন্য নিয়ে এসেছে এক অভিনব প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তিতে গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে রাস্তার দিক নির্দেশনা সংক্রান্ত ছবি ভেসে উঠবে। গাড়ির জন্য নির্মিত এ বিশেষ প্রযুক্তি কাজ করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে। এ প্রযুক্তিতে গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে দিক নির্দেশনামূলক চিহ্ন, দূরত্ব, গাড়ির বর্তমান গতি এবং গাড়ির গতিসীমা ইত্যাদি চালককে দেখাবে। গ্যাজেটের তথ্য এইচইউডির সঙ্গে সংযুক্ত রিফ্লেক্টর লেন্স বা উইন্ডো গ্লাসের প্লাস্টিক ফিল্মের মাধ্যমে এইচইউডিতে তথ্যগুলো প্রদর্শন করা হয়।—বিবিসি বন্যার্তদের জন্য সহায়তা বলিউডি তারকারা ভারতের উত্তরাখণ্ডে বন্যা দুর্গতদের সহায়তায় তহবিল সংগ্রহ করেছে। ঐ তহবিলে ২৫ লাখ রুপি দান করেছেন অভিনেতা আমিরখান। এছাড়া জাভেদ আখতার এবং শত্রুঘ্ন সিনহা প্রত্যেকে ৫০ লাখ রুপি দান করেছেন। —টাইমস অফ ইন্ডিয়া অজানার খোঁজে ডুবোজাহাজে জার্মানির এক আশ্চর্য ডুবোজাহাজ সমুদ্রের নীচে অজানা প্রাণিজগতের খোঁজে বেশ সাফল্য পাচ্ছে। সমুদ্রগর্ভে প্রাণী ও উদ্ভিদের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে জানা যাচ্ছে নতুন তথ্য। সাগরে যেসব জীব ও প্রাণী থাকে, তাদের প্রায় ৯৫ ভাগই আমাদের অজানা। একটি গবেষণা প্রকল্প সেই রহস্য সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জার্মানির কিল শহরের সামুদ্রিক গবেষণা কেন্দ্র জিওমার-এর বিজ্ঞানীরা ইয়াগো নামের একটি সাবমার্সিবল যান তৈরি করেছেন। —ডয়েচে ভেলে