ভারতের বুদ্ধ গয়ায় বোমা হামলার প্রতিবাদে রামুতে মানববন্ধন

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০১৩, ২২:৩৪
ভারতের বিহার প্রদেশের বুদ্ধ গয়ার মহাবোধি মহাবিহারে বোমা হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে মানববন্ধন করেছে কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। মানববন্ধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার সাবেক সভাপতি রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের অধ্যক্ষ পন্ডিত্ সত্যপ্রিয় মহাথের। এ সময় বক্তব্য রাখেন, রামু কেন্দ্রীয় সীমা বিহারের সহকারী পরিচালক প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু, উত্তর ফতেখাঁরকুল বিবেকারাম বৌদ্ধ বিহারের প্রজ্ঞাইন্দ্র ভিক্ষু, রামকুট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ জ্যোতিসেন ভিক্ষু, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন কক্সবাজার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বংকিম বড়ুয়া, রামু উপজেলা শাখার সভাপতি মাস্টার কিশোর বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি রামু উপজেলা শাখার সভাপতি স্বপন বড়ুয়া এমইউপি, রামু বৌদ্ধ যুব পরিষদের আহ্বায়ক রজত বড়ুয়া রিকু, উসাই সেন বড় ক্যাং পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক উথোয়াইং চিং প্রমুখ। এতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র মহাতীর্থ স্থান ভারতের বিহার প্রদেশের বুদ্ধগয়ায় মহাবোধি মহাবিহারে বোমা হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে ভারত সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়। এছাড়া পবিত্র মহাবোধি মহাবিহারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্যও ভারত সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়। বাঁশখালী নদীতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু রামু উপজেলার খোন্দকার পাড়া এলাকা সংলগ্ন বাঁকখালী নদীতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশু নাঈমা আক্তার (৬) মাহিয়া আক্তার (্৭) যথাক্রমে স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম ও আজিজুর রহমানের মেয়ে । প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার খেলার ছলে কলা গাছের ভেলায় চড়তে বাঁকখালী নদীতে নেমে পড়ে স্থানীয় চার শিশু। এক পর্যায়ে তারা হঠাত্ ভেলা থেকে পানিতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে, স্থানীয়রা ইয়াসমিন আক্তার (১২) ও সুমাইয়া আক্তার নামের দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। মাহিয়া ও নাঈমার লাশ পরে উদ্ধার করা হয়।