নির্বিচারে সরকারি রাস্তার বৃক্ষ নিধন চলছে। টঙ্গীবাড়ী-হাসাইল সড়কের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সাতুল্লায় ৮টি বড় আকারের সরকারি কড়ই গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। ইতিমধ্যে ৫টি গাছ কেটে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বাকি ৩টি গাছের ডালপালা কাটা হয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ কাটার কাজ চলছে। অফিস বন্ধের দিন শুক্রবার হতে এ গাছগুলো কর্তন করা শুরু করে শনিবারও চলছিল। কর্তনকৃত প্রাচীনবৃক্ষগুলোর বাজার মূল্য ২ লাখ টাকারও বেশি বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
শনিবার সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় ইউপির এক সাবেক মেম্বার সামনে দাঁড়িয়ে থেকে শ্রমিক দিয়ে গাছ কাটাচ্ছেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা কেটে পড়ে। গাছ কর্তনকারী লেবারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে- উপজেলার সাতুল্লা গ্রামের হাকিম খন্দকার ও তার ছেলে গণি খন্দকার তাদের গাছগুলো কাটতে নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের নির্দেশেই গাছ কাটছে তারা। পাঁচগাঁও ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সোহেল আহম্মেদ আজাদ ও আকলিমা বলেন, গাছ কাটার আমরা প্রতিবাদ করলে তারা সরকারি অনুমতি নিয়েই গাছ কাটছে বলে আমাদের জানায়। উপজেলার পাঁচগাঁও ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার জালাল মোল্লা জানান, এ গাছগুলো উপজেলা বন বিভাগের মাধ্যমে আমরা সমিতি করে রোপণ করেছিলাম, আমাদের না জানিয়ে সরকারি কোন অনুমতি না নিয়ে নির্বিচারে গাছগুলো কর্তন করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসরিন পারভীন বলেন, সরকারি এই বৃক্ষ কর্তনের বিষয়ে আমাকে কেউ ইনফর্ম করেনি। আমি বিষয়টি দেখছি। জেলা বন-বিভাগ কর্মকর্তা কাজি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, গাছ কাটার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে উপজেলা কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। কর্তনকৃত গাছগুলো জব্দ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
