সদ্য প্রকাশিত ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে বৈষম্য নয় প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। এ যাবত্ যতগুলো বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। অথচ এবার ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতেই কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। জানা মতে, এমনও আছে যাদের কোটা নেই অথচ ৬৮ নম্বর পেয়েও উত্তীর্ণ হয়েছে; আবার কেউ কেউ ৭৫, ৭৬ নম্বর পেয়েও উত্তীর্ণ হয়নি। এরকম কখনো কারো কাম্য হতে পারে না।
আমরা যারা বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি তারা অনেক কষ্ট করে এতদূর আসি। তার সঙ্গে থাকে বাবা-মায়ের আশা-আকাঙ্ক্ষা। যেখানে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে আমরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি, সেখানে এইসব অনিয়ম আমাদের করে তোলে আরো বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। কোটার নামে চলে বাণিজ্য। এই বাণিজ্য বন্ধ হওয়া উচিত। মেধার মাধ্যমে নির্বাচিত করা উচিত সকলকেই। নতুন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে বলে কাউকে অপমান করা উচিত নয়। পরিশেষে ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল বাতিলের জোর আবেদন জানাই।
ফারজানা ফেরদৌস,
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
