যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ধিত ভর্তি ও সেমিস্টার ফি কমানোর দাবিতে গত ৮ জুন থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করে সক্রিয় আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের মুখে ১২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় বসে বিষয়টার সমাধান করেন। এসময় শিক্ষার্থীরা আনন্দ, উল্লাস করতে থাকলে তখন এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং এক পর্যায় বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সন্ত্রাসী বাহিনীর তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনার পর ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন ও ছাত্রছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসহ সকল শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে। পরে ঐ সন্ত্রাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ আরো ২০/২৫ জনের নামে যশোর কোতোয়ালি থানায় গাড়ি পোড়ানোর মামলা দায়ের করে এবং সে বিভিন্ন সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে এ সমস্যা সমাধানে উদাসীনতা প্রকাশ করে আসছে যার ফলে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রকম শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়টি সেশনজটের দিকে এগোচ্ছে। এ অবস্থায় যবিপ্রবির সকল শিক্ষা কার্যক্রমের অচলাবস্থা দূর করতে ঊর্ধ্বতন মহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
সানজিদা আক্তার,
(৪র্থ বর্ষ) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগ,
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর
