উলিপুরে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকা পাহাড়ী ঢলে প্লাবিত হলেও বিস্তীর্ণ এলাকায় পানির অভাবে পাট পচাতে (জাগ) পারছে না কৃষক। ভরা শ্রাবণেও বৃষ্টির দেখা না মেলায় খাল-বিলগুলো শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। এ অবস্থায় পাট পচানো নিয়ে বিপাকে পড়েছে চাষী। এদিকে পানির অভাবে আমন চারাও রোপণ করতে পারছে না কৃষক। অনেকে শ্যালো মেশিন পানি সেচ দিয়ে আমন চারা রোপণ করছেন। জানা গেছে, জেলার উলিপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু রেকর্ড পরিমাণ ৫ হাজার ৪৮ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করে কৃষক। উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় হেক্টর প্রতি ৮ থেকে ১০ মেঃ টন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ অঞ্চলে পাটের চাষও হয়েছে বাম্পার। কিন্তু ভরা শ্রাবণেও বৃষ্টি না হওয়ায় উপজেলার বেশিরভাগ এলাকার খাল-বিলগুলো শুকিয়ে গেছে। ক্ষেতের পাট না কেটে পানির জন্য অপেক্ষা করছেন অনেক চাষি। ফলে অনেকের ক্ষেতে পাট শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার অনেকে পাট কেটে জমিতে কিংবা নিচু জায়গায় ঢিবি দিয়ে রেখেছে। কৃষি অফিসের মতে,এ অবস্থায় পাটের ওজন ও গুণগত মান কমে যাবে। ক্ষতির মুখে পড়বে কৃষক।
