রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলোকে দেউলিয়া করে একচেটিয়া চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণের অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তুলেছেন শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে আমদানির চেয়েও কমদামে বাজারে চিনি বিক্রি করা হচ্ছে। যা পরিকল্পিত। চিনিকলগুলো দেউলিয়া করার অপচেষ্টা সফল হলে ভবিষ্যতে প্রতিকেজি চিনির দাম ১০০ টাকা হবে বলে তিনি আশঙ্কা করেন।
বাংলাদেশ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেকালে শিল্পমন্ত্রী এসব কথা বলেন। গতকাল শিল্প মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রিয় কমিটির নেতা খান সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি খন্দকার শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিমসহ অন্য সদস্যরা বক্তব্য রাখেন।
বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষিভিত্তিক রাষ্ট্রায়ত্ত ভারি শিল্প হিসেবে চিনিকলগুলোকে টিকিয়ে রাখতে হবে। এজন্য চিনিকলে অপচয়রোধ করে উত্পাদনশীলতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভূমিকা রাখতে হবে। চিনি উত্পাদন বাড়াতে পারলে আখ চাষিদের স্বার্থে ভবিষ্যতে আখের মূল্য আরো বৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের নেতারা দাবি করেন, ভবিষ্যতে পে-কমিশন ও মজুরি কমিশন যাতে একই সময়ে ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করা হয়। শ্রমিকদের মধ্যে অহেতুক ভুল বুঝাবুঝি পরিহার করতে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তারা চিনিকলগুলোর ভবিষ্যত উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাড়াই মৌসুমে নগদ মূল্যে আখ ক্রয়ের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ যোগান নিশ্চিত করার তাগিদ দেন।
