কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৯
চার লেন নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দু’পার্শ্ব ঘেঁষে যত্রতত্র গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। এক্ষেত্রে মোটা অংকের সেলামী আদায়সহ ভাড়া হিসাবে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা। এদিকে মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে যত্রতত্র অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় বাড়ছে যানজট, সড়ক দুর্ঘটনাসহ অপরাধ প্রবণতা। মহাসড়কের ওপরে অবৈধভাবে রিকশা, সিএনজি, অটো ও বাসস্ট্যান্ড স্থাপন করে ফ্রি-স্টাইলে চলছে চাঁদাবাজিও। এক্ষেত্রে হাইওয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি থেকে ফেনী পর্যন্ত চার লেনের দু’টি প্রকল্প এলাকায় নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই দাউদকান্দি, গৌরীপুর, ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, কোরপাই, নিমসার, আলেখারচর, নন্দনপুর, বেলতলী, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, সুয়াগাজী, মিয়াবাজার, চৌদ্দগ্রাম বাজার, বাতিশা, আমজাদের বাজার, চিওড়া রাস্তার মাথা, পদুয়া, গুণবতী রাস্তার মাথা, গাংড়াসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানের দু’পাশে একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছে প্রভাবশালীরা। ওইসব এলাকায় টিনশেড ও স্থাপনা নির্মাণের পর ছোট ছোট দোকান-পাট তৈরি করে স্থানভেদে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩/৪ লাখ টাকা পর্যন্ত সেলামী নিয়ে উচ্চমূল্যে মাসিক ভাড়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালীমহল। মহাসড়কের মিয়াবাজারে এভাবেই সওজ’র ভূমি দখল করে দোকান নির্মাণের প্রতিযোগিতায় নেমেছে স্বার্থান্বেষীরা। এ বিষয়ে কুমিল্লার সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুর রহিম জানান, বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব চার লেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। প্রকল্পের কুমিল্লা-ফেনী অংশের প্রকৌশলী মাছুম সরওয়ার জানান, ‘অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ একটি চলমান প্রক্রিয়া। মিয়াবাজারে ইতিমধ্যে তিনবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এরপরও কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে আবারও উচ্ছেদ করা হবে।