রোজা শুধু আধ্যাত্মিক ও মানসিক শান্তি বাড়ায় তাই নয়, রোজাদারগণের শরীর ডিটক্সিফাই বা পরিশোধিত হয় একেবারে সুস্থ মানুষের মত। এমন তথ্য পেয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। সারাদিন অভুক্ত থাকার কারণে পাকস্থলী যেমন বিশ্রাম পায় তেমনি অভুক্ত থাকার সময় শরীর তার মধ্যে জমা চর্বি থেকে খাদ্যশক্তি গ্রহণ করে। এতে শুধু ফ্যাটবার্ন হয় তাই নয়, শরীরের ক্ষতিকর টক্সিনও বিনষ্ট হয়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে, পাকস্থলী খাদ্য হজম করার জন্য নিঃসৃত হাইড্রোক্লরিক এসিড নিঃসরণ করে। এটা খাবারের সঙ্গে থাকা জীবাণুও ধ্বংস করে। অভুক্ত থাকার সময় এই এসিড নিঃসরণও হ্রাস পায় তাই রোজাদাগণের এসিডিটিও কম হয়। তবে রোজাদারগণের এসিডিটি বা গ্যাসট্রিক আলসার বা গ্যাস্ট্রাইটিস এর জন্য ওষুধ সেবনের প্রয়োজন হলে ইফতার ও সেহরীর সময় অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করবেন।
লেখক : চুলপড়া, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
