মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে ‘জি টু জি’ (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) জনশক্তি রপ্তানির জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ের লটারির মাধ্যমে আরো ১১ হাজার ৭০৪ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। বিভাগওয়ারি লটারির ফল হচ্ছে ঢাকা বিভাগে-৩৬৩৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে-২২৪৫ জন, খুলনা বিভাগে-১২৭৮ জন, রাজশাহীতে-১৫৫১ জন, বরিশালে-৭৫৮ জন, সিলেটে-৮৭৩ জন ও রংপুরে-১৩৬১ জন।
গতকাল ইস্কাটনের প্রবাসী কল্যাণ ভবনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের উপস্থিতিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এই ইলেক্ট্রনিক লটারি অনুষ্ঠিত হয়। লটারিতে ২৪ হাজার ২৮০ জনের মধ্য থেকে ১১ হাজার ৭০৪ জন নির্বাচিত হয়। এ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. জাফর আহমেদ খানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে প্রথম দফায় লটারির মাধ্যমে ১১ হাজার ৭৫৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে লটারি বিজেতাদের মালয়েশিয়া যাবার বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার তাদের প্ল্যান্টেশন সেক্টরে কাজ করার জন্য প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশিকে নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করায় সরাসরি সরকারিভাবে জি টু জি পদ্ধতিতে মাত্র ৪০ হাজার টাকারও কম ব্যয়ে এই অভিবাসন প্রক্রিয়া চলছে। সারাদেশের ইউনিয়ন পর্যায় থেকে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় লটারির মাধ্যমে গমনেচ্ছু নির্বাচন করে চূড়ান্ত বাছাইয়ের পর মালয়েশিয়ায় এই জনশক্তি রপ্তানি করা হচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, ‘বর্তমান সরকারের সাড়ে ৪ বছরে ২১ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৩ জনকে বিশ্বের প্রায় ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
