এলিজি ১: ১ম

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৩, ১৮:২৯
৫ই আগস্টের রাতে শরতের মদ উষার প্রথম স্বচ্ছতা যেন বা আকাশ ঢেকে রেখেছে তার সমূহ লবণ। অলঙ্ঘনীয় বর্তমানে সময়ের দাঁড়িপাল্লা— নিদ্রার প্রান্তরেখায় মোহহীন শূন্য যত ক্ষুদ্র পরিসরে আরো অতীতের ছোট ছোট দিন আবর্তিত হয় না এই গ্রীষ্মে আর। এমন তো ভাবা যেতেই পারে আসা-যাওয়ার পথে কে তার চলার প্রবাহ থামিয়ে দিল? কার আর আছে তবু সেইটুকু যতটুকু দরকার এক বছরে? কীভাবে এই মুহূর্ত এত দামি? যেথা নদী সত্যিই নদী? বিপরীতে সময় পরিশুদ্ধ করে না কিছুই! নতুবা নির্লিপ্ত ধমণীতে আবার সঞ্চারিত হোক দাহ, প্রথম সংঘাতের জলস্রোত... তবু এই পরিসরে তার কোনো স্থান নেই, জাহাজঘাটায় যে পৌঁছে যাবে নতুন বাণিজ্য যাত্রায়? ডকের বিপণী বিতান কাট-ছাঁট করতে কাপড় ও তেলের কার্গোকে দিতে আশ্বাস! জাহাজ ছাড়ার আগে বিদায়ী ভিড়ে যাত্রীর নিবন্ধনের আগে— হ্যাঁ, ওখানে আমার তর্জনী সংকেত অভিমুখে দ্যাখো যেখানে জমেছে অন্ধকার! কপিকলের হলুদ দড়িতে লৌহ ক্রেনের ছন্দ বহু পুরোনো এ রঙ্গমঞ্চ, এখনো চটপটে, বুদ্ধিমান তবু প্রস্থানপথে আজো নবীনা এ নাট্যশালা! তবু এই পেণ্ডুলাম ক্ষণে যে কেউ বুঝবে ভালো সময়ের কখনোই হবে না কোনো ব্যবহার, বরং যাবতীয় নৃশংসতা অক্ষুণ্ন রবে, কে আর বলে পুরোনো স্মৃতির কথা? যেহেতু এখানেই—অন্য কোথাও নয়— এখনি এবং এভাবেই আগে নয় এবং অন্য কোনোভাবে কখনো নয়... শুধুই এই সেপ্টেম্বরের সকাল, অন্য কোনো সময়ের প্রশ্নই আসে না!