জিপি’র দরপতনে শেয়ারবাজারের সূচক কমেছে

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৩, ২০:৫৫
অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গ্রামীণ ফোনের মুনাফা প্রায় অর্ধেকে নেমে আসায় কোম্পানিটির শেয়ার দরে বড় পতন হয়েছে। একদিনেই প্রায় ১৫ ভাগ দরপতন হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের। গ্রামীণ ফোনের শেয়ার ফ্লোটিং হওয়ায় সূচকে এর প্রভাবও অনেক বেশি। ফলে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ার পরও গ্রামীণ ফোনের শেয়ারের দাম কমায় গোটা সূচকই নিম্নমুখি হয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেনকৃত ২৮৫টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৩টির, কমেছে ১০৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিকে চলতি সপ্তাহের দুইদিন সূচক বাড়ার পর গত দুইদিন আবার পতন হয়েছে। একে বাজারের স্বাভাবিক গতি হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ইতিবাচক দিক হলো টানা চারদিন হরতালের মধ্যেও প্রতিদিনই বাজারের লেনদেন হয়েছে নয়শ’ কোটি টাকারও বেশি। আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গ্রামীণ ফোনের অর্ধ বার্ষিক লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা অনুযায়ী না হওয়ায় কোম্পানিটির শেয়ারের দর পড়ে যায়। বাজারের শীর্ষ দর হারানো কোম্পানিগুলোর মধ্যে জিপিই ছিল প্রধান। যা সূচক পতনেও প্রভাব রেখেছে। বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অফলোড করা হতে পারে এমন খবরে বাজারে সরকারি মালিকানার কোম্পানিগুলোর শেয়ার দরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবে ইতিবাচক দিক হচ্ছে বাজারে যে কোম্পানিগুলোর শেয়ার অবমূল্যায়িত রয়েছে সে কোম্পানিগুলোর দর বাড়তে শুরু করেছে। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২২৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক ১৮৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৬৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৫২ কোটি ০১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৩৩ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৩৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা কম।