সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে গার্মেন্টস কর্মী রেশমা উদ্ধারের ঘটনাকে ‘সাজানো’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় সানডে মিরর পত্রিকার সাংবাদিক সায়মন রাইটকে উকিল নোটিস পাঠানো হয়েছে। দৈনিক যুগান্তর এবং রেডিও টুডের স্টাফ রিপোর্টার জাভেদ মোস্তফা এ ঘটনায় বাদী হয়েছেন। গত ১৫ জুলাই অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম (জুয়েল) বাদীর পক্ষে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে এ উকিল নোটিস পাঠান। উকিল নোটিসে বলা হয়, রানা প্লাজা ধসের পর থেকে বাদী দৈনিক যুগান্তর এবং রেডিও টুডের স্টাফ রিপোর্টার জাভেদ মোস্তফা ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং নিয়মিত প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। রেশমাকে উদ্ধারের সময়ও বাদী সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ উদ্ধার ঘটনা নিয়ে তিনি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় গত ১১, ১২, ১৩ ও ১৪ মে এবং ৭ জুন মোট ৫টি প্রতিবেদন লিখেছেন। ডেইলি মেইল পত্রিকায় সায়মন রাইটের লেখা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর বাদীর যুগান্তরে লেখা প্রতিবেদন নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তার মানহানি ঘটেছে। এজন্য জাভেদ মোস্তফা বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে সানডে মিরর পত্রিকার প্রতিবেদকের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
