সিরিয়ায় শক্তি প্রয়োগের কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৩, ২১:০০
গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল মার্টিন ডিম্পসে সিনেটে বলেছেন, ওবামা সরকার সিরিয়ায় শক্তি প্রয়োগের কথা চিন্তা করছে। সিরিয়ায় ৩ বছরের গৃহযুদ্ধে প্রায় ৯৩ হাজার মানুষ মারা গেছে। আসাদ বিরোধীরা সরকার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে। জেনারেল মার্টিন ডিম্পসে সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ওবামাকে সিরিয়ায় বিভিন্ন ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপের ব্যাপারে জানিয়েছেন। তবে ডিম্পসে বলেন, তিনি এব্যাপারে সরকারকে প্রভাবিত করার কোন চেষ্টা করেননি। খবর ডন পত্রিকার। এরআগে সিনেটর জন ম্যাক কেইন তাকে প্রশ্ন করেছিলেন কি ধরনের সামরিক পদক্ষেপে ঝুঁকি বেশি। ডিম্পসে জন ম্যাক কেইনকে বলেন, সিরিয়ার শাসনব্যবস্থা কিভাবে পরিচালিত হবে এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেন ভেঙ্গে না পরে সে ব্যাপারগুলো বিবেচনা করতে হবে। এসব বিবেচনা না করে সামরিক অভিযান হিতেবিপরীত হতে পারে। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের ভাইস চেয়ারম্যান এডমিরাল জেমস উইনফিল্ড সিরিয়ায় সামরিক অভিযানের পরিকল্পনার ব্যাপারে আলোচনা করেন । তিনি বলেন, আমরা সামরিক অভিযানের জন্য প্রস্তুত। বর্তমানে আসাদ বাহিনী সিরিয়ায় তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে আছে। ইতিপূর্বে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার বিদ্রোহীদের অস্ত্র সাহায্য দেয়ার ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়। একটা ব্যাপারে নিশ্চিত যে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় নো ফ্লাই জোন তৈরি করবে না। উল্লেখ্য ম্যাক কেইনসহ বেশ কিছু সিনেটর ওবামা প্রশাসনকে সিরিয়ায় কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে চাপ দিয়ে আসছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি গত বৃহস্পতিবার জর্ডানে সিরিয়ান একটি শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন। সেখানে প্রায় সোয়া লাখ শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছেন। শরণার্থীরা আরো অধিক হারে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য চান।