জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবে শ্রাবণ মাসে অনাবৃষ্টির কারণে উত্তরাঞ্চলে কৃষকরা আমন ও পাট চাষীরা দিশাহারা। শ্রাবণ মাসে যেখানে মাঠ ঘাট পানিতে থৈ থৈ করার কথা সেখানে মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। আমন বীজতলা ও চারা ক্ষেত নষ্ট হতে চলছে। অপরদিকে খাল-বিল, নালা, পুকুর, ডোবা ও নিচু জলাশয়সমূহ শুকিয়ে যাওয়ায় পাট জাগ দেয়া নিয়েও বিপাকে পড়েছেন কৃষক। পাট পচাতে না পারায় ক্ষেতে শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেকে স্যালো মেশিন বা সেচ মটর চালু করে পুকুর, ডোবা ভরিয়ে সেখানেই পাট জাগ দিচ্ছেন। সাদুল্লাপুর উপজেলার হবিবুল্লাপুর গ্রামের কৃষক আবেদ আলী আকন্দ বলেন, এ সময় নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর, ডোবা ও নিচু জলাশয়সমূহে পানিতে থৈ-থৈ করতো। অথচও মাঠ-ঘাট ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। সদর উপজেলার তালুক মন্দুয়ার গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ জানান, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বৃষ্টি-বাদল না হলে চলতি বছর আমন চাষাবাদ করা সম্ভব হবে না। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মীর আব্দুর রাজ্জাক জানান, শ্রাবণ মাসের মধ্যেই আমন চারা রোপন করতে না পারলে চাষীরা ক্ষতিতে পড়বে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
