ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে চারজন জন নিহত হওয়ার জের ধরে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠছে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মির। বিক্ষোভ ও সহিংসতা প্রতিরোধে পুরো কাশ্মীর উপত্যকায় এবং রামবান জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে রথযাত্রা। সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইটে থেকে গুজব ছড়ানোর আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টানেট সেবা কার্যক্রম। খবর বিবিসি ও এনডিটিভি’র।
পুলিশ প্রথমে ছয়জনের নিহত হওয়ার খবর জানালেও পরে চারজনের কথা জানায়। বিএসএফের হামলার প্রতিবাদে গতকাল শুক্রবার থেকে তিন দিনের লাগাতার বনধ বা হরতাল ডেকেছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। রাজধানী শ্রীনগর ও জম্মুর মাঝে মহাসড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কাশ্মির উপত্যকার জম্মুর সঙ্গে সংযোগকারী ব্যস্ততম বানিহাল সুড়ঙ্গও বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিবাদকারীরা। সহিংসপূর্ণ এলাকায় পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ করা হয়েছে। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সব বন্ধ রয়েছে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। রমজানে উচ্চস্বরে নামাজ পড়ার কারণে অসুবিধা হচ্ছে দাবি করে বুধবার রাতে স্থানীয় একটি মসজিদে অভিযোগ করতে যায় রামবান জেলার বিএসএফ। এর প্রতিবাদ করেন মসজিদের মুসল্লিরা। পরে বিএসএফ ওই সময় ধর্মীয় নেতাদের নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে রামবান জেলার বিএসএফ ক্যাম্পের বাইরে বিক্ষোভ করেন মুসল্লিরা। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিএসএফ গুলি ছুঁড়লে চারজনের মৃত্যু হয় এবং আহত হয় ২০ জনের বেশি যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
