শিরোনাম পড়ে কী সংশয়ে পড়ে গেছেন? ভাবছেন টিভির মতো একটি নির্দোষ বিনোদন মাধ্যম আবার হঠাত্ কার কী ক্ষতি করল? এখানে ক্ষতিটা হয়তো কমবেশি অনেকেরই অনেক রকম—কারও সময়ের আবার কারও স্বাস্থ্যের। তবে অন্য অনেকের চাইতে শিশুদের ক্ষতিটা একটু বেশিই। আর তাই যেসব শিশু দিনে দুই ঘণ্টার বেশি টিভি দেখে মূলত তাদের জন্যই শিরোনামের এই সতর্ক বার্তাটি উচ্চারণ করেছেন কানাডার মন্ট্রিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সেন্ট জাস্টিন মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের একদল গবেষক। তাদের মতে বর্তমানে শিশুদের স্বাস্থ্যহূাস, ক্ষুধামন্দা বা খাদ্যে অনীহার মতো রোগগুলোর পেছনে প্রায়শই অতিরিক্ত টিভি দেখার ভূমিকা খুঁজে পেয়েছেন তারা। গবেষকরা বলেন, শিশুদের বিশেষ করে দুই থেকে চার বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে টিভি দেখার এই বিষয়টি ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং এ সময়ে তারা একটু একটু করে আরও বেশি মাত্রায় টিভির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে। আর এই আসক্তির একটি বড় প্রভাব পড়ে শিশুদের মাংসপেশির গঠনে। যাদের বয়স চার এর কম এবং যারা দৈনিক দুই ঘন্টার বেশি সময় টিভি দেখে সেইসব শিশুর ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে মাংসপেশির নানা দুর্বলতা দেখা দেয় এবং এটি নতুন করে শরীরে কার্যকর পেশি গড়ে ওঠার প্রক্রিয়াকেও বাধাগ্রস্ত করে। আর এ কারণেই প্রায় দেড় হাজার কমবয়সী রোগীর রোগতথ্য বিশ্লেষণ করে এই গবেষকরা দুই ঘণ্টার বেশি সময় টিভি দেখার বিষয়ে শিশুদের অভিভাবকদের সতর্ক করে দিয়েছেন।
