এমডিজি পরবর্তী লক্ষ্য নিয়ে সেমিনার

রাজনৈতিক অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নে বাধা

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৩, ২১:০১
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন বাস্তবায়নে রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রধান অন্তরায়। আর দীর্ঘমেয়াদী এ উন্নয়নের জন্য গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা জরুরি। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) অডিটরিয়ামে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়নের আলোচ্যসূচি নিয়ে জাতিসংঘের গঠিত উচ্চ পর্যায় প্যানেলের এক প্রতিবেদন নিয়ে পর্যালোচনামূলক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশ নেন চেয়ারম্যান, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমেদ, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উল আলম, পরিসংখ্যান বিভাগের সচিব নজিবর রহমান ও পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক প্রমুখ। ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমেদ বলেন, দেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন অনেকটাই নির্ভর করে রাজনৈতিক দল তথা গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতার উপর। তিনি বলেন, পূর্ব ইতিহাস থেকে দেখা গেছে মিলিটারি সহায়তায় কেউ যদি ক্ষমতায় বসে তবে দেশের সকল অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়। দেশে কেমন রাজনীতির ধারা অব্যাহত থাকবে তা ঠিক করতে হলে জনগণকে সচেতন হতে আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, উন্নয়নের লক্ষ্য পূরণে দেশের ভেতরে আগে শান্তি ফিরিয়ে আনতে হবে। হানাহানি ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বন্ধ করতে হবে। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে বলা হয়, পৃথীবিতে মুক্ত বাজার ব্যবস্থা চলছে। এখানে যার আছে তার থাকবে যার নেই তার থাকবে না। এর ফলে বৈষম্য বাড়ছে। যারা বৈষম্যের শিকার তাদের দিকে নজর দেয়ার দরকার। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উদ্বাস্তুর সংখ্যা বাড়ছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শক্তিশালীভাবে এগুলো তুলে ধরা দরকার। এতে আরও বলা হয়, উন্নয়নশীল দেশে নগরায়ন দ্রুত বাড়ছে। একে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা প্রয়োজন। প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষা করতে হবে। তাছাড়া থাকতে হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।