হালুয়াঘাট স্থলবন্দরের অপার সম্ভাবনা কাজে আসছে না

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৩, ২১:১২
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার গোবরাকুড়া-কড়ইতলী দুইটি স্থলবন্দর থেকে প্রতি বছর শত কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব আদায়ের পরেও উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি । নানা সমস্যায় স্থলবন্দরের ব্যবসা বাণিজ্যে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর উদ্বোধনের পর ঘোষিত বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে গেলেও তা বাস্তবায়নের জন্য কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উল্লেখ্য, এর আগে গোবরাকুড়া ও কড়ইতলী দুইটি ডিপো হিসেবে আমদানি বাণিজ্য হয়ে আসলেও মন্ত্রী ঐ দুইটি ডিপোকে একত্রিকরণ করে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুিতি দেন।সরকার যেখানে প্রতি বছর উক্ত স্থলবন্দর থেকে শত কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করলেও সরকারি কোন উন্নয়নের পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থলবন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী এবং শত শত শ্রমিক ও হালুয়াঘাটবাসী হতাশ। কড়ইতলী কোল এন্ড কোক ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশানের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এম সুরুজ মিয়া জানান, ২০১১-১২ অর্থ বছরে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার মেট্রিক টন ও ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ২ লক্ষ মেঃ টন কয়লা আমদানি করা হয় এবং সেখান থেকে সরকারের প্রতিবছর ৪০ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হয়। অপরদিকে গোবরাকুড়া আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলী আজগর জানান ২০১১-১২ অর্থ বছরে ২ লক্ষ ৫০ হাজার মেঃ টন, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ৩ লক্ষ মেঃ টন কয়লা আমদানি করা হয় এবং প্রতি বছর প্রায় ৬০ কোটি টাকার রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়। তিনি বলেন, নৌ পরিবহন মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কড়ইতলী জিরো পয়েন্ট হতে হালুয়াঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি পাকা ও প্রশস্তকরনণ, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট স্থাপন, ল্যান্ড কাস্টমস অফিসের অবকাঠামো নির্মাণ, গোবরাকুড়া ও কড়ইতলী রাস্তাটির সংযোগ স্থাপনের ঘোষণা দিলেও তা বাস্তবায়নের কোন পদক্ষেপ অদ্যাবধি নেয়া হয়নি। মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরও সরকারের এই মেয়াদে স্থলবন্দরের সমস্যাগুলির বাস্তবায়ন হবে কিনা সে বিষয়ে তারা সন্দিহান।