ত রু ণী ক থা

ফাতেমা জান্নাত মিতু

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৩, ২১:১৮
সংগঠক, বারামখানা মিতুর মতে আমাদের দেশের নারীরা অনেক বেশি পরিশ্রমী, সংযমী এবং কষ্ট সহ্য করে। এখনো গ্রামাঞ্চলের অনেক নারী স্বামী কতৃক নির্যাতনের শিকার হয়েও চক্ষুলজ্জা, সামাজিক ও ধর্মীয় ভয়ে সব মুখ বুজে সয়ে যায়। নারীদের সঠিক দিক নির্দেশনা ও আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলতে পারলে তারা অবশ্যই উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পুরুষের সমান অংশীদার হতে পারবে। একটি সমাজ, রাষ্ট্র ও উন্নয়ন কাঠামো বৃদ্ধিতে নারীর ভূমিকা অনেক বেশি। নারী একই সাথে মা, পরিবার পরিচর্যক এবং পেশাজীবী হতে পারে। তাছাড়া প্রকৃতিগতভাবেই নারীরা পুরুষের চেয়ে বেশি সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করে। তাই সুন্দর সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে নারীদের এগিয়ে যাওয়াকে উত্সাহ প্রদান ও সুযোগ দিতে হবে। মিতু ভবিষ্যতে তার পেশাগত কাজের পাশাপাশি সমাজ সেবামূলক কাজ করে যেতে চায়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য। কারণ, তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র স্বাবলম্বী হবে। তার মতে, ধীরে ধীরে নারী-পুরুষ বৈষম্য কমে আসছে। এক্ষেত্রে পুরুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। আর এখনকার তরুণরাই আগামীর নেতৃত্ব দেবে। কাজেই নিজেকে যোগ্য করে তুলতে হবে। একজন সত্যিকার বাঙালি নারীর ব্যক্তিত্ব ও চেতনা ধারণ করে দেশ মাতৃকার অগ্রযাত্রার পথিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে। মিতু স্বপ্ন দেখে একদিন সত্যিই এই দেশ দারিদ্র্যতা, অপ্রকৃতিস্থ রাজনৈতিক চর্চা, শোষণ ও বৈষম্যমূলক প্রথা থেকে মুক্ত হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। লাবিব নাজমুছ ছাকিব