গোদাগাড়ীর শতাধিক যুবক ভারতের চেন্নাই কাজ করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে আরও ১০ শ্রমিক। জানা যায়, গত মার্চ মাসে উপজেলার কাপাশিয়াপাড়া ও মালদেবপুর গ্রামের শতাধিক যুবককে ৯ হাজার টাকা বেতনের লোভ দেখিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে ভারতের চেন্নাই নিয়ে যায়। এসব শ্রমিকদের চেন্নাইয়ের লুধিয়ানায় বহুতল ভবন নির্মাণের কাজে লাগিয়ে ৪ মাস বেতন দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেছেন, বেতন চাইতে গেলে ঠিকাদারের দালাল নাজমুল পুলিশে ধরিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এভাবে দীর্ঘদিন কষ্ট করার পর শ্রমিকরা স্থানীয়দের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরে আসে। উপজেলার কাপাশিয়াপাড়া গ্রামের ইসলামউদ্দীনের ছেলে মোজাম্মল হক বলেন, একই গ্রামের মনি মিয়া ও তার ছেলে জুবায়ের, আশিক মিলে শ্রমিকদের প্রস্তাব দেয় চেন্নাই যাওয়ার জন্য।
দালালরা সীমান্ত পার করে বাবু নামের আরেক দালালের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর ট্রেনযোগে তাদেরকে চেন্নাই নিয়ে যাওয়ার পর ঠিকাদারদের দালাল নাজমুল কাজে লাগিয়ে দেয়। মনি মিয়া ও তার ছেলেরা শ্রমিকদের কাছ থেকে এপারে টাকা আদায় না করলেও দালাল বাবু প্রত্যেকের কাছে ভারতীয় ২ হাজার টাকা করে আদায় করে। তারা একদলে ছিলেন ৭৩ জন।
আর অন্য দলে ছিল আরও ৪০ জন। ৭৩ জনের মধ্যে ৭০ জন দেশে ফিরে আসলেও এখনো ভারতের চেন্নাইয়ে নিখোঁজ রয়েছে ইউসুফ, আবুল হোসেন ও মাসুম। উপজেলার বাসুদেবপুর ও মোহনপুর ইউনিয়নের অন্য এলাকার আরও ৪০ জনের মধ্যে ৩৩ জন ফিরে আসলেও নিখোঁজ রয়েছে ৭ জন।
