শিল্পায়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তৈরি পোশাক, বস্ত্র, চামড়া, ওষুধ শিল্পসহ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে বর্তমান সরকারের আমলে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। ফলে শিল্পখাতে বিপুল পরিমাণে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে নারী শ্রমিকের সংখ্যা উল্লে¬খযোগ্য।
গতকাল এক তথ্য বিবরণীতে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, বিগত সাড়ে চার বছরে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। এই খাতে নতুন করে তিন লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এ সময়ে এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকার পণ্য উত্পাদিত হয়েছে, যার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি রপ্তানিমুখী পণ্য। সামগ্রিকভাবে দেশে আট লক্ষাধিক কুটির শিল্পে প্রায় ৩০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে এ পর্যন্ত ৩৮ হাজারেরও বেশি মানুষকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।
ঢাকার হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি কারখানাগুলো সাভারে স্থাপিত পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ শিল্প নগরীতে ২০৫ একর জমির উপর স্থাপিত ১৫৫টি কারখানায় এক লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে। এতে বলা হয়, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় এপিআই শিল্পপার্ক স্থাপন করা হবে।
২০০ একর জমিতে নির্মিত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এ শিল্পপার্কে ৪২টি ওষুধ কারখানা স্থাপন করা হবে। এতে ২৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কুমিল্ল¬া বিসিক শিল্প নগরীতে ১০০টি এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালী বিসিক শিল্প নগরীতে ৩৫টি শিল্প কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত রয়েছে। রংপুরে শতরঞ্জি শিল্পের উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
এছাড়াও সিরাজগঞ্জে বিসিক শিল্প নগরীতে ৫৭০টি ইউনিট এবং বরগুনায় ৬১টি ইউনিট স্থাপনের কাজ চলছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে বিপুল সংখ্যক লোকের কর্মসংস্থান হবে। এছাড়া গঙ্গাচড়ায় বেনারসী পল্ল¬ী ও গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্পনগরীতে ২৫০টি কারখানা স্থাপনের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সেখানে ২৫০০ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
