বটিয়াঘাটা ও দাকোপের নদ-নদী থেকে শিশু নেট ও কারেন্ট জাল দিয়ে বাগদা, গলদা, পারশে মাছের রেণু ব্যাপকহারে ধরা হচ্ছে। যার ফলে বিলুপ্ত হতে চলেছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। কাজিবাচা শোলমারী শিবশা পশুর ঢাংমারী মরাভদ্রা রূপসা, মাংগা, ঝপঝপিয়া ও কয়রা নদীতে এসব পোনা বেশি ধরা পড়ে। এখানেই শেষ নয়, রেণু ধরার সময় কোটি কোটি রেণু ডাঙ্গায় ফেলে বিনষ্ট করা হচ্ছে। সুন্দরবনের নদ-নদীতে অবাধে চেতনানাশক দিয়ে মাছ ধরায় ছোট জাতের অসংখ্য রেণু মারা যাচ্ছে। কোস্টগার্ডের অভিযানে কারেন্ট জাল আটক হলেও হাতে টানা লক্ষাধিক নেট জাল আটক করা সম্ভব নয়।
বাগদা, গলদা চাষে খ্যাত এসব উপজেলায় রেণু উত্পাদনকারী হ্যাচারী গড়ে উঠলেও মত্স্য চাষিরা তাদের রেণুর উপর ভরসা করতে পারেন না। ফলে নদী থেকে আহরিত রেণু চড়া দামে কিনে ঘেরে ছাড়েন। জাতীয় মত্স্য সপ্তাহ শুরু হলেও এখনও নেট জাল ধরার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছেনা।
এব্যাপারে খুলনা জেলা মত্স্য কর্মকর্তা প্রফুল্ল কুমার সরকার ইত্তেফাককে বলেন, নেট দিয়ে রেণু ধরা এবং অন্যান্য মাছের বংশ ধ্বংস করা একটি পুরাতন ইস্যু। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে রাজনৈতিক চাপের সৃষ্টি হয়। যার ফলে কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। উপজেলা সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে মত্স্য বিভাগ খুবই উদ্বিগ্ন।
