উখিয়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মতো সহিংস ঘটনা বাড়ছে। সামাল দিতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম এলেই জমি দখল-বেদখল নিয়ে দু’পক্ষের শক্তি বৃদ্ধির জন্য ভাড়াটিয়া হিসেবে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। জানা গেছে, সমপ্রতি পূর্ব ডিগলিয়া পালং গ্রামে বসবাসরত রোহিঙ্গা নাগরিক প্রবাসী ছৈয়দ নূরের পুত্র আবু তাহের প্রতিপক্ষের চাষাবাদ করা জমি দখল করতে গেলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ সময় রোহিঙ্গারা কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে ৪ জনকে গুরুতর আহত করে। গত ১৯ জুলাই থাইংখালী ঘোনার পাড়া গ্রামের মৃত শফিকুর রহমানের পুত্র শাহজাহান তার বসত ভিটায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ আবদুল গফুরের ভাড়াটিয়া প্রায় ১৮/২০ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বসত বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় রোহিঙ্গারা কুপিয়ে ৫ জনকে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সংঘটিত ঘটনা সমাধান করার জন্য গ্রামীণ আদালত রয়েছে। অধিকাংশ সহিংস ঘটনা বিচারের মাধ্যমে সমাধান করাও হচ্ছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবসন সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী জানান, এখানে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গার উপর সরকারের কোন ধরনের নিয়ন্ত্রণ না থাকার ফলে এসব রোহিঙ্গারা ভাড়াটিয়া লাঠিয়াল হিসেবে ব্যবহূত হয়ে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের বেপরোয়া আচরণে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
