মুক্তিপণের দাবিতে সোমালিয়ার উপকূলের জলদস্যুদের হাতে এখনো ৫০ নাবিক আটক রয়েছে। তাদের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় দিন গুণছে পরিবারের লোকজন। তবে জাহাজ মালিকরা মুক্তিপণ দিয়ে আটক নাবিকদের ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে অনেকটাই উদাসীন। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌবাহিনী সোমালিয়ার উপকূলে মালয়েশিয়ার পতাকাবাহী এমভি আলবেদোকে ডুবন্ত অবস্থায় এবং তাইওয়ানি মালিকানাধীন নাহাম-৩ এর সন্ধান পেয়েছে।—খবর ডন ডটকম।
২০১০ সালের নভেম্বরে ১৫ জন নাবিকসহ এমভি আলবেদো জাহাজটিকে অপহরণ করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। এ মাসে জাহাজটিকে জলদস্যুরা ঐ জাহাজটিকে ডুবিয়ে দিয়েছে। ডুবিয়ে দেয়া জাহাজটির পেছনের অংশের সাথে নাহাম জাহাজটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখতে দেখা গেছে। তবে ডুবিয়ে দেয়া নাবিকদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জানা যায়নি। অনেকে মনে করছে, নাবিকদের অনেকে তীরে ফিরতে সক্ষম হয়েছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা বাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে তোলা ছবিতে জাহাজ নাহামের ডেকে জলদস্যুদের সতর্ক পাহারা অবস্থায় দেখা গেলেও কোন বন্দিকে দেখা যায়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নৌবাহিনী ডুবন্ত জাহাজের থেকে ১৪ মাইল উত্তরে দুটি লাইফ বোট দেখতে পেলেও সেখানে আলবেদোর কোন নাবিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। আলবেদো জাহাজটিতে শ্রীলংকা, ভারত, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনামের লোকজন কাজ করতো।
অন্যদিকে ২৮ জন নাবিকসহ নাহাম-৩ জাহাজটিকে গত বছরের মার্চ মাসে আটক করে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। এ জাহাজটিকেও ডুবিয়ে দেয়ার ঝুঁকি রয়েছে। জলদস্যুদের কাছে এফভি প্রান্তালির চার জন এবং অসফল্ট ভেনচার নামক জাহাজের সাত নাবিকও আটক রয়েছে।
এদের পরিবারের লোকজন জলদস্যুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বন্দি নাবিকদের মুক্ত করে দেয়ার আকুতি জানিয়েছে।
