ইফতারে রকমারি জিলাপি

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৭
জিলাপি ছাড়া ইফতারি চলে! ভোজনরসিক রোজাদাররা একবাক্যে বলবেন না। তাইতো ইফতারি মেন্যুতে জিলাপির রয়েছে বিশেষ চাহিদা। আর এই চাহিদা মেটাতেই রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ইফতারবাজার চকবাজার থেকে শুরু করে ফুটপাত ছাড়িয়ে দেশের পাঁচতারকা হোটেলগুলোতেও তৈরি হচ্ছে হরেক রকমের জিলাপি। প্যাঁচ জিলাপি, রেশমি জিলাপি, চিকন জিলাপি ও শাহী জিলাপিসহ রয়েছে হরেক রকমের জিলাপি। নাম শুনলেই যেন জিভে জল চলে আসে। এসব জিলাপি শুধু নামেই আলাদা নয়, এদের আকার ও স্বাদেও রয়েছে ভিন্নতা। চকবাজারের আলোচিত ইফতারি পণ্যের মধ্যে অন্যতম এখানকার শাহী জিলাপি। শুধু নামে নয়, দেখেই বোঝা যায়, কেন এর নাম শাহী জিলাপি রাখা হয়েছে। একেকটির ওজন এক থেকে পাঁচ কেজি পর্যন্ত। বড় তাওয়ায় বিশেষভাবে তৈরি এসব জিলাপি বিক্রিও বেশ ভালো। প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। কতদিন ধরে চকবাজারে বিক্রি হচ্ছে এই জিলাপি? উত্তরে এই বাজারের বৃদ্ধ বিক্রেতা হেলালউদ্দিন মুন্সী বলেন, তা সঠিকভাবে বলতে পারবো না। তবে আমার বাবাও এখানে শাহী জিলাপি বিক্রি করেছেন। হয়ত তার আগে থেকেও চকে শাহী জিলাপি বিক্রি হচ্ছে। এই বাজারেই কড়া ( লাল) করে মোটা প্যাঁচের আরেক ধরনের জিলাপি বানানো হয়। যার নাম আমিত্তি। কড়া ভাজার জন্য অনেকেরই প্রিয় এই জিলাপি। দাম প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা। তবে শুধু চকবাজারেই নয় রাজধানীর বেইলি রোডে ফখরুদ্দীন, ক্যাপিটাল কনফেকশনারি, স্কাইলার্ক, বেইলি বারবিকিউ, বেইলি পিঠা ঘরেও বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের জিলাপি। এ প্রসঙ্গে ক্যাপিটাল কনফেকশনারির এক বিক্রেতা বলেন, জিলাপি ক্রেতাদের পছন্দের অন্যতম রেসিপি। আমরা সবসময় ক্রেতাদের চাহিদা গুরুত্ব দেই। এখানে প্রতি কেজি জিলাপি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান। বেইলী রোড ছাড়াও রাজধানীর হোটেল স্টার , লাজিজ, এইচএফসি, পিন্টু মিয়ার শাহী ইফতারি, পুরনো ঢাকার আল রাজ্জাক, আলাউদ্দিন সুইটমিট, আম্বালা ও খাজানাসহ বিভিন্ন রেস্তোরাঁর পাশাপাশি পাঁচ তারকা হোটেল সোনারগাঁও, রুপসীবাংলা, ওয়েস্টিন ও র্যাডিসনেও বিভিন্ন ধরনের জিলাপি পাওয়া যাচ্ছে।