কক্সবাজার-টেকনাফ ৭৮ কিলোমিটার সড়কের ১৫টি পয়েন্টে হাট-বাজার বসার কারণে প্রতিনিয়ত স্কুল, কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রী ও সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদ যতই কাছাকাছি আসছে মানুষের ভোগান্তি দিন দিন ততই বাড়ছে। বাজারকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির সুবিধাভোগী খাজনা আদায়ের নামে রীতিমত চাঁদাবাজি করছে। লিংকরোড, মরিচ্যা, কোটবাজার, উখিয়া সদর, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী, উলুবনিয়া, হোয়াইক্যং, কারাংখালী, মৌলভীবাজার, হ্নীলা বাস স্টেশন, মধ্যম হ্নীলা ও টেকনাফ সদরসহ আরো অনেকগুলো পয়েন্টে অস্থায়ী হাট-বাজার বসে। কোটবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ জানান, ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততম এ এলাকাটি মৌসুমী ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় জনসাধারণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বণিক সমিতির সভাপতি একরামুল হক জানান, দূরপাল্লার বাসের যাত্রীদের এ পয়েন্টগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে হয়। এস.আলম ও হানিফ পরিবহনের চালক মোহাম্মদ আলম ও নুরুচ্ছফা বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ ৩ ঘণ্টার পথ অতিক্রম করতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা লাগে। তাও সাবধানতা অবলম্বন করে গাড়ি চালাতে হয়। আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির লাইন সম্পাদক শাহা আলম জানান, ঈদের আগে সড়কের উপর গড়ে ওঠা অবৈধ হাটবাজার উচ্ছেদ করা না হলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, সড়কের যানজট নিরসনকল্পে অবৈধ হাটবাজার ও ভাসমান দোকানপাট উচ্ছেদ করা হ্বে। তিনি প্রয়োজনবোধে মাইকিং করা হবে বলেও জানান।
