খাদ্যমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, নিরাপদ খাদ্য আইনে সন্দেহজনক ভেজাল খাদ্য পরীক্ষার জন্য সুনির্দিষ্ট ল্যাবরেটরি থাকবে। তিনি বলেন, যথাযথ মান অনুসরণ করে এ ল্যাবরেটরিতে খাদ্যের ভেজাল ও রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হবে। বাদী ও বিবাদী উভয়ই পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবে। ফলে কেউই হয়রানির শিকার হবে না। গতকাল সুপার মার্কেট ওনার্স এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীর অফিস কক্ষে সাক্ষাত্ করতে এলে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রণ প্রতিরোধে নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়ন করছে। খাদ্যে ভেজাল ও রাসায়নিক দ্রব্য সংমিশ্রণের বিষয়টি গোটা জাতিকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। ইতিমধ্যেই মন্ত্রিসভা আইনটির অনুমোদন দিয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে সংসদের আগামী অধিবেশনে তা উপস্থাপন করা হবে। সুপার মার্কেট ওনার্স নেতৃবৃন্দ নিরাপদ খাদ্য আইন প্রণয়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন।
এসময়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের মহাপরিচালক নাসের ফরিদ ও সুপার মার্কেট ওনার্স নেতৃবৃন্দের মধ্যে কাজী নাবিল আহমেদ, কাজী ইনাম আহমেদ, মো. জাকির হোসেন, মোহাম্মদ সলিমুল¬াহ, মতিউর রহমান, খালেদ কাদের, আন্দ্রে কাইলিউক ও শাহীন খান উপস্থিত ছিলেন।
