মতলবে গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে নানা গুঞ্জন

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৩, ২১:৫৮
মতলব দক্ষিণে বাড়ৈগাঁও গ্রামের গৃহবধূ এক সন্তানের জননী ফাতেমা বেগম (২৭) গত ২৩ জুলাই আশংকাজনক অবস্থায় মতলব সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মৃত্যুবরণ করে। তার এ মৃত্যু হত্যা না আত্মহত্যা এ নিয়ে এলাকায় নানা রকম গুঞ্জন উঠেছে। নিহতের ভাই আলমগীর ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ৭ বছর আগে বাড়ৈগাঁও গ্রামের সুমন বেপারীর সাথে আমার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ননদ রুমি, সুমি, জান্নাত, দেবর মামুন ও শাশুড়ী তার উপর বিভিন্নভাবে শারীরিক নির্যাতন করে আসছে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ কয়েকবার দেন-দরবারও হয়েছে। তার স্বামী সুমনকে আমরা সকল খরচাদি দিয়ে দুবাই পাঠিয়েছি। গত ২০ জুলাই সুমন প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আসে। সুমন দেশে আসার ৪ দিন পরেই আমার বোনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ফাতেমা বেগমের ৬ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তার নাম সুমাইয়া। এ ব্যাপারে স্বামী সুমন বেপারী জানায়, আমি দুবাই থেকে ৪দিন পূর্বে দেশে এসেছি। আমার স্ত্রীর পূর্ব থেকে মাথায় সমস্যা আছে। আমি তার অনেক চিকিত্সা করিয়েছি। আজকে কি ঘটনা ঘটেছে তা আমি জানি না। তবে নিহত ফাতেমা বেগমের লাশ হাসপাতালে থাকলেও স্বামী বর্তমানে পলাতক রয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মতলব দক্ষিণ থানায় নিহতের ভাই আলমগীর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।