জেরার্ডো মার্টিনোকে টিটো ভিলানোভার উত্তরসূরী হিসেবে বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে নিজের কোন ভূমিকা ছিল না বলে দাবি করলেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি।
দু’জনের জন্ম একই শহরে। রোসারিওর নিউয়েল’স ওল্ড বয়েজ নামের যে ক্লাবে মেসি তার ক্যারিয়ার শুরু করেন সেই ক্লাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তারকা মানা হয় মার্টিনোকে। এই ক্লাবের হয়ে খেলেছেন রেকর্ড ৫০৫টি ম্যাচ। পরবর্তীতে কোচের পেশা বেছে নেয়া মার্টিনোর কোচিং স্টাইলের প্রশংসা এর আগেও করেছেন মেসি। এমনকি দুই বছরের চুক্তিতে গত সোমবার বার্সেলোনায় যোগ দেয়ার পরও তার ভূয়সী প্রশংসা করেন মেসি। আর বার্সেলোনার কোচ নিয়োগের সময়, মার্টিনোর বিষয়ে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে ইতিবাচক মতই দিয়েছেন মেসি। ৫০ বছর বয়সী এই কোচ নিজেই স্বীকার করেছেন এই তথ্য।
সঙ্গত কারণেই অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন মেসির পরামর্শেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে মার্টিনোকে। তবে সেই ধারণা উড়িয়ে দিয়ে মেসি বলেন, কোচ নিয়োগের ব্যাপারে নয় বরং নিয়োগের পরে নতুন কোচের ব্যাপারে সমর্থন ব্যক্ত করেছেন তিনি। অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন মিউনিখের বিরুদ্ধে প্রদর্শনী ম্যাচে ২-০ হারার পর চারবারের ফিফা বর্ষসেরা তারকাটি বলেন, ‘মার্টিনোকে চুক্তিবদ্ধ করার বিষয়ে আমার কিছুই করার ছিল না। এটা ছিল পুরোপুরিই ক্লাব এবং প্রেসিডেন্ট রোসেলের সিদ্ধান্ত।’
মেসি আরো বলেন, ‘আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তার সাথে আমার কখনো দেখাও হয়নি। শুধু তাই নয়, লুইস এনরিকে নামে অন্য যার বিষয়ে আলোচনা চলছিল তার সাথেও আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই।’
তবে মার্টিনোর প্রতি তার ভালবাসার ব্যাপারটি স্বীকার করতে মোটেই কুণ্ঠিত হলেন না তিনি, ‘আমি আগেই বলেছি, তিনি দারুণ একজন কোচ। কিন্তু তাই বলে তাকে নিয়োগের ব্যাপারে আমার হাত ছিল, এটা একেবারেই বাজে কথা। তবে আমি মনে করি এটা দারুণ একটা চুক্তিই হয়েছে। আমার মনে হয় প্যারাগুয়ে এবং নিওয়েলসের হয়ে তিনি তার সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। আমি আশাবাদী আমাদেরও সে ভালো কিছুই উপহার দেবেন।’
