বাঙালি ভাষাভিত্তিক একটি জাতি। বাংলাদেশ ভাষাভিত্তিক একটি রাষ্ট্র। বিশ্বে এমন দ্বিতীয়টি নেই। বাঙালির আকার, আকৃতি, বর্ণ, আচরণ, এমনকি বৈশিষ্ট্যেও একজনের সাথে অপরজনের খুব কমই মিল আছে। বাঙালি জাতির কিছু অনন্য গুণও আছে। শত প্রতিকূলতার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করা এর বড় প্রমাণ। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র, পশ্চিমা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দা, প্রলয়ঙ্করী বন্যা, সিডর-আইলার মতো ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। উত্তাল রাজনীতিও বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি বাঙালির অগ্রযাত্রা। কখনও মন্থর যাত্রা আবার কখনও দুর্বার গতিতে দেশ এগিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুর্নীতি সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারলে এবং সুশাসন সুপ্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারতো। এই নেতিবাচক বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও বাংলাদেশ এগিয়েছে। দারিদ্র্যের হার ২৬ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ১৯৭০ সালে ছিল ৭৩ শতাংশ। ২০০৫ সালেও ৪০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করতো। জনগণের পুষ্টি গ্রহণের মাত্রা বেড়েছে। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে। মাথাপিছু আয় ও ক্রয়সামর্থ্য বেড়েছে। শিক্ষার হার বেড়েছে। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে। জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা বেড়েছে। গণতন্ত্র বারবার হুমকির মুখে পড়েছে। কিন্তু ঠিকই আবার খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখন মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত ছেলের তুলনায় মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যাই বেশি। দেশজুড়ে একটি নারী জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে নারীর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা সহজ হয়েছে। পুরুষশাসিত সমাজে নারীদের ওপর বিভিন্ন কুসংস্কার চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা হ্রাস পেয়েছে। নবজাতকরাও এর সুফল পাচ্ছে। সামাজিক ও অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে উন্নতির নতুন ধারা সূচিত হয়েছে ২০০৯ সাল থেকে। এই অতুলনীয় অগ্রযাত্রার ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ (এমডিজি) অর্জনের ক্ষেত্রে, যা বিশ্বাঙ্গন থেকে বাংলাদেশের জন্য প্রশংসা বয়ে এনেছে।
এমডিজি গৃহীত হয় নতুন সহস্রাব্দের শুরুতে, ২০০০ সালে জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখনও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এ সহস্রাব্দ ঘোষণার একজন অংশীদার ছিলেন। সেই সময় জাতিসংঘের ১৮৯টি দেশ সর্বসম্মতিক্রমে এ ঘোষণা গ্রহণ করে। স্বল্পোন্নত (এলডিসি) ও কম উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রধান টার্গেট হলেও কর্মপরিকল্পনায় উন্নত-অনুন্নত-শিল্পোন্নত সব দেশেরই করণীয় নির্ধারণ করা হয়। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়। যদিও আফ্রিকার ৩৪টি, এশিয়ার বাংলাদেশসহ ১৪টি, ল্যাটিন আমেরিকার হাইতিসহ মোট ৪৯টি এলডিসির ৮৮ কোটি মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করাই এমডিজি নির্ধারণের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য। এমডিজিতে আটটি লক্ষ্য আছে। প্রতিটি লক্ষ্য পূরণে এক বা একাধিক লক্ষ্যমাত্রা ও সূচক আছে। সব মিলিয়ে ২১টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ৬০টি সূচক আছে, যা দিয়ে এমডিজি অর্জনের সাফল্য পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে ৩৪টি সূচকে পরিমাণগত লক্ষ্য আছে। সহস্রাব্দ ঘোষণায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ২০১৫ সালের মধ্যে এসব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার অঙ্গীকার করেন। সে অনুযায়ী ২০০০ সাল থেকেই বাংলাদেশসহ প্রতিটি দেশ এমডিজি অর্জনে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন শুরু করে। এমডিজি অর্জনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা ঢেলে সাজায়। বাংলাদেশ শুরুর কয়েকটি বছর এমডিজি অর্জনে একটু ঢিমেতালে এগুলেও বিগত চার-পাঁচ বছরে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এগিয়েছে।
এমডিজিতে দেয়া লক্ষ্যমাত্রাগুলো অধিকাংশই হয় অর্জিত হয়েছে, নয় অর্জনের পথে রয়েছে। এলডিসি তো বটেই, বিশ্বের অনেক উন্নয়নশীল দেশকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে এগিয়ে আছে। এর প্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া যায় ২০১০ সালে। শিশু মৃত্যু হার হ্রাসে অনন্য সাফল্য অর্জন করায় সেই বছর জাতিসংঘ বাংলাদেশকে এমডিজি এওয়ার্ড দেয়। ২০১১ সালে স্বাস্থ্য খাতে গুণগত মান উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করায় আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন, সাউথ সাউথ নিউজ ও জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রীকে সাউথ সাউথ এওয়ার্ড দেয়। সম্প্রসারিত টিকাদানে সুফল অর্জন করায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশের প্রশংসা করে। জাতিসংঘ মহাসচিব ছাড়াও বিশ্বব্যাংক, ইউএনডিপিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ উন্নত বিশ্ব বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেছে। উন্নয়নশীল বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ এখন আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির রোল মডেল।
বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক প্রতিটি সেক্টরে কত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে তার একটি চিত্র ফুটে উঠেছে সম্প্রতি প্রকাশিত এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা প্রতিবেদন ২০১২-এ। ২০১১ সালের জরিপে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এমডিজি-১ তথা চরম ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে ৯টি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে দারিদ্র্যের হার ২৯ শতাংশে হ্রাস, দারিদ্র্য ব্যবধান অনুপাত ৮-এ কমিয়ে আনা, শিশুদের অপর্যাপ্ত ওজনের হার ৩৩ শতাংশে কমানোসহ ৬টি লক্ষ্যমাত্রাই বাংলাদেশ হয় ইতোমধ্যে অর্জন করেছে, নয় লক্ষ্য অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে। তবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য পূরণে দেশ পিছিয়ে আছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ১৯৯১ থেকে ২০১০ পর্যন্ত বছরে গড়ে ২ দশমিক ৪৭ শতাংশ দারিদ্র্য কমেছে। এ হার অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০১২ সালেই দারিদ্র্য হার হ্রাসের এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার তিনটি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে প্রণীত এমডিজি-২-এর শতভাগ শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তির লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে অর্জিত হয়েছে। কিন্তু ঝরে পড়া হ্রাস লক্ষ্য অনুযায়ী অর্জন না হওয়া এবং বয়স্ক শিক্ষায় আশানুরূপ অগ্রগতি না হওয়ায় অপর দুইটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশ পিছিয়ে আছে। এমডিজি-৩-এর লিঙ্গ সমতাকে গুরুত্ব দেয়া ও নারীর ক্ষমতায়নের তিনটি লক্ষ্যমাত্রা আছে। মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষায় ছেলে-মেয়ে সমতা অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ দুই বছর আগেই অর্জন করেছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের হার লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে আরও তত্পর হতে হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শিশুমৃত্যুর হার হ্রাসের তিনটি লক্ষ্যমাত্রা আছে এমডিজি-৪-এ। নবজাতক ও পাঁচ বয়সের কম বয়সী শিশুমৃত্যু হারের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই অর্জন করেছে। শতভাগ শিশুকে হামের টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে আছে দেশ। মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়নের ৬টি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এমডিজি-৫ গঠিত। প্রতিবেদন অনুযায়ী মাতৃমৃত্যু হার হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আরও উদ্যোগের প্রয়োজন হবে। প্রশিক্ষিত ধাত্রী দিয়ে সন্তান প্রসবের হার আরও বাড়াতে হবে। জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের হার লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে। নবজাতক পরিচর্যার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশকে আরও তত্পর হতে হবে। এইচআইভি-এইডস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য সংক্রমিত রোগ দমনের ১০টি লক্ষ্যমাত্রা আছে এমডিজি-৬-এ। এইচআইভি সংক্রমিত রোগীর চিকিত্সা সুবিধা অর্জনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়া শনাক্তকরণ, চিকিত্সা ও প্রাদুর্ভাব রোধে লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জনের পথে আছে দেশ। তবে এসব রোগ প্রতিরোধে গণসচেতনতা জোরদার করার তাগিদ দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।
বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এমডিজি-৭-এ টেকসই পরিবেশ নিশ্চিতে ১০টি লক্ষ্যমাত্রা আছে। শিল্পোন্নত দেশগুলো গত দুইশ বছর ধরে নির্বিচারে বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃসরণ করেছে। এতে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। প্রকৃতি বিরূপ আচরণ করছে। এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশে। সমুদ্রপৃষ্ঠে পানির উচ্চতা বাড়ছে। ফলে উপকূলীয় কৃষি জমি, বসতভিটা লোনা পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা বেড়েছে। ঋতুচক্র পরিবর্তিত হচ্ছে। সার্বিক কৃষি খাতের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে কৃষি উত্পাদনে প্রবৃদ্ধি অর্জনের বিকল্প নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের এ নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং এর সাথে খাপ খাওয়ানোই বাংলাদেশের এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাপক বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ফলে ২০ শতাংশ বনাঞ্চল সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রাটি অর্জিত হয়েছে। সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ক্ষেত্রে উন্নতি হলেও সামুদ্রিক অঞ্চল সংরক্ষণে লক্ষ্যমাত্রার অনেক পিছনে আছে বাংলাদেশ।
মাথাপিছু সর্বনিম্ন কার্বন নিঃসরণ করে এমন দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একটি। তাই কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয়। শতভাগ জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয় জলের লক্ষ্যমাত্রাও বাংলাদেশ প্রায় অর্জনের পথে। জলবায়ু উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনে তেমন উন্নতি হয়নি। শহরাঞ্চলে ভাসমান মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। নিজস্ব অর্থায়নে টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। কারণ এ ধরনের প্রতিটি উদ্যোগই ব্যয়বহুল। সরকার অবশ্য উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দুই শতাধিক জলবায়ু প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু উন্নত দেশগুলো প্রতিশ্রুত সাহায্য দিচ্ছে না। তাই বাংলাদেশের পক্ষে ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজি-৭ অর্জন করা সম্ভব নাও হতে পারে। ১৬টি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে উন্নয়নের জন্য বিশ্ব অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে এমডিজি-৮-এ। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী উন্নত, উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের মোট জাতীয় উত্পাদনের শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ বা এর অধিক উন্নয়ন অনুদান বা ওডিএ হিসেবে এলডিসিগুলোকে দেয়ার কথা। নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেনের মতো কয়েকটি দেশ ছাড়া সব উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশই তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি। ২০০৮ সাল থেকে উন্নত বিশ্বে মন্দা অব্যাহত থাকায় অনুদান প্রদানের হার কমেছে। বেড়েছে ঋণ প্রদানের হার। কৃষি ও শিল্পের প্রসার, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ, সামাজিক সেবা খাতগুলোর উন্নয়নে প্রতিশ্রুত সাহায্য না পাওয়ায় এডিসিগুলো এমডিজি অর্জন করতে পারছে না। বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থে প্রতিটি এমডিজিতেই বেশ অগ্রগতি অর্জন করেছে। তাই অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধি বলেছেন যে, এমডিজি পূরণে বাংলাদেশের অর্জন উল্লেখযোগ্য এবং বাংলাদেশ নিজস্ব সম্পদ দিয়েই তা অর্জন করেছে।
স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে বাংলাদেশের এ বিরল অর্জন ধরে রাখতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হবে। সমাজের সকল পর্যায় থেকে দুর্নীতি দূরীভূত করতে হবে। সুশাসন টেকসই করতে হবে। উন্নয়ন নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে।
