এশিয়ায় সফল সফর শেষে কোচ হোসে মরিনহো তার চেলসি দল নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন। তিন ম্যাচের এই সফরে মরিনহোর দল জাকার্তায় বিএনআই ইন্দোনেশিয়া অলস্টার একাদশকে ৮-১ গোলে পরাজিত করার পর এও জানান যে এখন তাদের লক্ষ্য একটাই, ওয়েন রুনিকে দলে ভেড়ানো। যদিও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্ট্রাইকারটিকে আনার ব্যাপারে কোন অগ্রগতি নেই।
রুনির ব্যাপারে তাই বলে কোন তাড়াহুড়া নেই চেলসি কোচের। সে জন্য তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমরা যা করেছি তা তো আপনারা জানেন। কেননা এটা ছিল আনুষ্ঠানিক এবং প্রকাশ্য। এরপর আর কিছুই ঘটেনি। তবে আমরা শান্তই আছি। কেননা আমাদের যা আছে তা নিয়ে আমরা খুশি।’
মরিনহো ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও জাকার্তা মিলিয়ে সম্পন্ন হওয়া এশিয়া সফর করেন ছয় সিনিয়র খেলোয়াড়কে ছাড়াই। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই খেলোয়াড়রা প্রথমবারের মতো তার সাথে যোগ দেবেন। এরা হলেন তিন স্পানিশ ফার্নান্দো তোরেস, হুয়ান মাতা ও সিজার অ্যাজপিলিচুয়েতা, নাইজেরিয়ার জন ওবি মিকেল এবং দুই ব্রাজিলীয় ডেভিড লুইজ ও অস্কার। এরা সবাই কনফেডারেশন কাপে খেলার কারণে ছুটি পেয়েছিলেন এবং এখন দলের সাথে চার ম্যাচের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন।
সর্বশেষ খেলাটিতে লুকাকু দুই গোল করেন। এছাড়া একটি করে গোল দেন ডেম্বা বা। ফলে রুনিকে আনতে চাওয়া মিলিয়ে দলে তোরেসের জায়গা নিয়ে কোন সংশয় আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে মরিনহো বলেন, ‘আমি মনে করি ফার্নান্দোর বরং খুশি হওয়া উচিত। কারণ আমাদের দলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে এবং আমি মনে করি এটা প্রতিটি স্থানের বিবেচনাতেই সবার জন্য ভাল।’
তোরেস লিভারপুল ছেড়ে যখন চেলসিতে আসেন সেসময় স্ট্রাইকার হিসেবে তিনি ছিলেন মূলত একাই। এরপর জানুয়ারিতে ডেম্বা বা আসে। এখন তো চেলসিতে আছে তিন স্ট্রাইকার। এদিকে ফ্রাংক ল্যাম্পার্ড এশিয়া সফরে থাকলেও একটা বলেও লাথি দেননি। কারণ তার ইনজুরির সমস্যা ছিল। জানা গেছে, তিনি দ্রুতই অনুশীলন শুরু করবেন।
অধিনায়ক জন টেরি গত মৌসুমের শেষ দিকে পুরোপুরি ফিট না থাকলেও এশিয়ায় তিনটি খেলাতেই অংশ নেন। এব্যাপারে মরিনহোর ভাষ্য, ‘সে ভাল খেলেছে এবং অনুশীলনও করেছে ভালভাবেই। সে কখনো কোন অনুশীলন পর্ব এক মিনিটের জন্যও বাদ দেয়নি। সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের জন্য সে খুবই গুরত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আমি তাকে নিয়ে খুবই খুশি।’ —মেইলঅনলাইন।
