ভালুকায় জমি নিয়ে সংঘর্ষ নিহত ১, আহত ৫০

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৩, ২১:১৭
একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে কাজ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ভালুকা উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলার দু’টি স্পিনিং মিলের শ্রমিকদের মাঝে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এসময় এক নির্মাণ শ্রমিক নিহতসহ কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছে। শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২টি বন্দুক, ১৭টি গুলির খোসা ও ১টি তাজা গুলি উদ্ধার করেছে। ভালুকা উপজেলার মাষ্টারবাড়িস্থ আরিফ স্পিনিং মিল কর্তৃপক্ষ ৫০/৬০ জন শ্রমিক নিয়ে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলার জৈনার বাজার (নগর হাওলা) এলাকার একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে কাজ করতে যায়। ওই সময় গুলশান স্পিনিং মিলের শ্রমিকরা বাধা দিলে উভয়পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ বেধে যায়। এসময় গুলশান স্পিনিং মিলের নিরাপত্তারক্ষীর ছোঁড়া গুলিতে ভালুকা আরিফ স্পিনিং মিলের রাজমিস্ত্রী সুনামগঞ্জের দুয়ারাবাজার উপজেলার চিতলপাড়া গ্রামে মাইনউদ্দিনের ছেলে আব্দুস ছালাম (৩০) নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ ২৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। গঙ্গাচড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত সংঘর্ষে আহত ২০ রংপুর প্রতিনিধি \ গঙ্গাচড়া উপজেলায় গতকাল শুক্রবার জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ১১ জনকে রংপুর প্রাইম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সকালে উপজেলার বেতগাড়ি ইউনিয়নের কিসামত শেরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বেতগাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মনতাজুল ইসলামের কাছ থেকে ১৭ বছর আগে একই এলাকার সাজু মিয়া প্রায় ৪ বিঘা জমি ক্রয় করেন। তখন থেকে সাজু মিয়ার পরিবার ওই জমি ভোগদখল করে আসছিল। গতকাল সকালে সাজু মিয়া ও তার ভাইরা ওই জমিতে চাষাবাদ করতে যায়। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যান মনতাজুল ইসলাম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন লাঠিসোঁটা ও অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে কাজে বাধা প্রদান করে এবং জমি দখলের চেষ্টা চালায়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়। গঙ্গাচড়া থানার ওসি পৃথ্বীশ কুমার জানান, পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। দুই পক্ষকেই থানায় জরুরি তলব করা হয়েছে।