নওগাঁর মান্দায় ঐতিহ্যবাহী সতীরহাটে ইজারাদারের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হাটুরেরা। অতিরিক্ত টোল আদায়ে সাধারণ জনগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হলেও প্রশাসন নির্বিকার। অভিযোগে জানা গেছে মান্দা উপজেলাধীন গণেশপুর ইউপি’র সতীরহাট চলতি ১৪১৯-২০ বঙ্গাব্দ সালে ৬৮ লক্ষ ২ হাজার ৫শ’ ৭৫ টাকায় আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ইজারা নেয়। ইজারা নেয়ার পর থেকেই কোন সাইনবোর্ড না টানিয়েই প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে আরিফুল ইসলাম, বুলবুলসহ তার নিজস্ব লোকজন দ্বারা অবৈধভাবে অতিরিক্ত হারে টোল আদায় শুরু করেন। গরু, মহিষ, ঘোড়া প্রতি ক্রেতার নিকট হতে ২৬০ টাকা হারে এবং বিক্রেতার নিকট হতে ১০ টাকা হারে, ছাগল, ভেড়া প্রতি ১০% যত হয় তত হারে জোর পূর্বক টোল আদায় করছে। এ অবৈধ হারে টোল আদায় সরকারি নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
এতে ইজারাদার অবৈধ উপায়ে আর্থিকভাবে লাভবান হলেও সাধারণ জনগণ আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত ও চরমভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইজারাদার আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সরকারি নীতিমালা মেনেই টোল আদায় করা হয়। তবে তিনি আরও জানান, সব হাটেই এভাবে টোল আদায় করা হয়, সরকারি রেটের চেয়ে সামান্য ২৫-৩০ টাকা হারের বেশি আদায় করা হয় বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাওসার জাহান জানান, গরু, মহিষ, ঘোড়া প্রতিজোড়া ৩শ’ টাকা এবং প্রতিটি ২শ’ টাকা, ছাগল, ভেড়া প্রতিটি ৭৫ টাকা হারে আদায় করা সরকারি নিয়ম যা ১৪১৮ সাল থেকেই কার্যকর রয়েছে। নতুনভাবে কোন রেট বাড়ানো হয়নি। অতিরিক্ত হারে আদায় করা হলে সে ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
