অনূর্ধ্ব-১৯ দল ইংল্যান্ড যাচ্ছে আজ

প্রস্তুতিকে শক্তি মানছেন কোচ-অধিনায়ক

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০১৩, ২২:০৮
ইংল্যান্ড ত্রিদেশীয় ওয়ানডে টুর্নামেন্ট খেলতে আজ সকালে ঢাকা ছাড়ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দল। এর আগে গতকাল গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন দলের কোচ মেহেদি হাসান মিরাজ ও কোচ রিচার্ড ম্যাকিন্স। ইংল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনে খেলতে যাওয়ার আগে নিজেদের অনুশীলনের উপরই ভরসা রাখছেন তারা। ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ও স্বাগতিক ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব ১৯ দল। কঠিন প্রতিপক্ষের পাশাপাশি তাই ইংলিশ কন্ডিশনও বড় প্রতিপক্ষ হয়েই সামনে আসবে। সেটা মেনেই কোচ রিচার্ড ম্যাকিন্স বলেন, ‘ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মকালটা এবছর একটু শুকনো; সেখানে গরমও বেশি। তাই উইকেট থেকে আমরা খুব বেশি মুভমেন্ট আশা করতে পারছি না; কিন্তু যতোটুকুই মুভমেন্ট থাকুক না কেন সেটা আমাদের দলের ব্যাটসম্যানদের ঝামেলায় ফেলতে যথেষ্ট। আমরা অনুশীলনে অনেকটা সময় ব্যয় করেছি। ইনডোরে আমাদের ব্যাটসম্যানরা নতুন বলে ব্যাটিং করেছে। তাই ব্যাটিং নিয়ে আমরা ভাল কিছুই আশা করছি। রণদ্বীপ বোস (একাডেমির বোলিং কোচ) বোলারদের নিয়ে দারুণ কাজ করেছে। সব মিলিয়ে আমি এই সফরে দলের পারফরম্যান্স দেখার জন্য মুখিয়ে আছি।’ দলের অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজও ইংলিশ কন্ডিশনকে সমস্যা বলে মনে করছেন না। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি ইংল্যান্ডের কন্ডিশনটা অন্যরকম। তাই অনুশীলনের সময় ব্যাপারটা আমাদের মাথায় ছিল। বাংলাদেশের যেকোন দলেরই স্পিন আক্রমণ ভাল থাকে; কিন্তু কেবল ইংল্যান্ড সফর বলেই পেস আক্রমণ নিয়েও আমরা আলাদা করে কাজ করেছি। দলে যারা পেসার আছে তাদের প্রতি আমরা ভরসা রাখছি। আশা করি চার পেসার ভাল পারফর্ম করতে পারবে। আর ব্যাটসম্যানদেরও ইংল্যান্ডের কন্ডিশনের জন্য মানিয়ে নিতে আলাদা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।’ গত কয়েকদিনে অনুশীলনটা বেশ ভাল হয়েছে বলে মনে করছেন অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অধিনায়ক, ‘স্কিল আর ফিটনেস ট্রেনিং ছাড়াও আমরা নিজেদের শক্তিমত্তা নিয়ে আলাদা করে কাজ করেছি। আশা করি এই সফরে আমাদের পরিশ্রম কাজে দিবে।’ অধিনায়কত্ব মিরাজের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগে অনূর্ধ্ব ১৫ ও ১৭ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এই সফরটাকেও নিজের জন্য শিক্ষণীয় হবে বলে মনে করছেন এই তরুণ ক্রিকেটার, ‘এটা আমার জন্য বুঝে ওঠার দারুণ এক সুযোগ। এর আগে শ্রীলঙ্কাতে আমরা বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলেছিলাম। এর পর থেকে আমরা কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে ছিলাম। আমাদের মধ্যে এখন অনেক উন্নতি এসেছে। এখন আমরা আগের থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। এই সফরটার জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।