বেশ কয়েকদিন শেয়ারবাজারে লেনদেন হাজার কোটি টাকার উপরে হওয়ার পর আবার নেমে এসেছে দুইশ’ কোটি টাকার ঘরে। গত এক সপ্তাহ ধরে লেনদেন কমে যাওয়ার এ প্রবণতাকে ইতিবাচক নয় বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বাজারে সূচকের ওঠানামা থাকবেই। তবে লেনদেন হঠাত্ বেড়ে যাওয়া ও কমে যাওয়া ইতিবাচক নয়। বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার কারণেই এমনটি হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তারা। তাই লেনদেন ধরে রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড সূচক ডিএসইএক্স ৫৯ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৯১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক ৫১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ২৬০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ২৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২০ কোটি ২৪ লাখ ৪২ হাজার ২৪৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৮৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা কম। অর্থাত্ লেনদেন কমেছে ৪৫ শতাংশ। লেনদেনকৃত ২৮৫টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৮টির, কমেছে ২০১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের। এদিন হাত বদল হয়েছে ২৮৪টি কোমপানির ৪ কোটি ৪০ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিক্রয় প্রবণতার প্রভাবে বাজারে সূচক কমেছে। লেনদেন কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার অভাব দেখা দিয়েছে। কারণ গত দুই মাসের মধ্যে গতকাল সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে ডিএসইতে।
